আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘‌খানে কা ঠিকানা নেহি হ্যায় তামবুল কা ফরমাইশ’!‌ এই আপ্তবাক্য এখন স্লোগানে পরিণত হয়েছে পাকিস্তানে। কারণ ওয়াঘা সীমান্তের ওপারের‌‌ অর্থনীতির বেহাল অবস্থা৷ পাল্লা দিচ্ছে মূল্যবৃদ্ধি৷ পেট্রোল– ডিজেলের পাশাপাশি দুধ, টমেটোর মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া দামে কার্যত আধপেটা খেয়েই দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷ তারই মধ্যে গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠেছে আটার দাম৷ এক কেজি আটার দাম দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা৷ কেউ কেউ এক কেজি আটার জন্য ৭০ টাকাও চাইছেন৷ এক সপ্তাহে প্রতি কিলো আটার দাম পাঁচ টাকা করে বেড়েছে বলে খবর৷
যদিও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দাবি, এই খবর সর্বৈব মিথ্যে৷ সরকারি গুদামে এখনও প্রচুর গম মজুত আছে৷ অবিলম্বে আটার দাম নিয়ন্ত্রণে আনার নির্দেশ তিনি দিয়েছেন প্রশাসনকে৷ মূল্যবৃদ্ধির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ পাঞ্জাব প্রদেশের একাধিক দল সরকারকে পাঁচদিনের সময় দিয়েছে৷ তার মধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে অনির্দিষ্টকালের জন্য হরতালের হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা৷ 
পাক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মাসখানেক আগেও পাকিস্তানের করাচিতে ৪৫০ টাকায় ১০ কেজি আটা পাওয়া যাচ্ছিল৷ সেখানে এখন ১০ কেজি আটার জন্য দিতে হচ্ছে ৬২০ থেকে ৭০০ টাকা৷ আটার দাম বাড়ার আসল কারণ হিসেবে আচমকা গমের দাম বেড়ে যাওয়াকেই দায়ী করছেন বিক্রেতারা৷ এতেই সাধারণ মানুষের পাতে এখন রুটির দেখা পাওয়া দুলর্ভ৷ রুটি ও নানের দাম বাড়ানোর অনুমতি চেয়ে রেস্তোরাঁ ও ধাবা মালিকেরা রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হয়েছেন৷ বিগত ১৭ বছরে সব থেকে খারাপ অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে পাকিস্তানে৷ তাই অনেকে বলছেন, এই পরিস্থিতি পুর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

জনপ্রিয়

Back To Top