আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ৫ মে থেকে লাদাখের প্যাংগং লেকের কাছাকাছি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে বিপুল সেনা মোতায়েন করে চলেছে চীন। একই ছবি দেখা যায় সিকিমের নাকু লা পাস সীমান্তেও। ভারতও পিছপা হয়নি। ওই এলাকায় সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে। এই নিয়ে দুই দেশের সীমান্ত সংঘাত শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এবার চীনকে একহাত নিল আমেরিকা।
মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেসেন্টেটিভস–এর বিদেশ বিষয়ক কমিটির প্রধান এলিয়ট এঙ্গেল চীনের এই আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বেজিংয়ের কাছে তাঁর আবেদন, কূটনীতি এবং বর্তমান নীতির মাধ্যমেই যেন সীমান্ত সমস্যার মীমাংসা খোঁজা হয়। ডেমোক্র‌্যাট সদস্য এঙ্গেলের কথায়, ‘‌ইন্দো–চীন সীমান্তে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীনের আগ্রাসন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। চীন আরও একবার দেখিয়ে দিল যে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে রাজি নয়। বরং প্রতিবেশি দেশকে খোঁচা দিতেই তারা আগ্রহী’‌। 
এখানেই থামেননি এঙ্গেল। আরও জানিয়েছেন, কোনও দেশের প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে সমস্যা তৈরি হলে, তা একটি নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের দ্বারাই মেটানো উচিত। নয়তো এমন দুনিয়া তৈরি হবে, যেখানে ‘‌শক্তিধররাই শেষ কথা বলে’‌।
২০১৭ সালে ডোকলামে ভারত-চিন মুখোমুখি অবস্থান চলেছিল ৭৩ দিন ধরে। এবার তা এক মাস হতে চলল। মে-র গোড়া থেকেই উপত্যকার ওল্ডি রোডে সেনা সমাবেশ করছে চীন। মাস খানেকের মধ্যে দারবুক, শায়ক ও দৌলতবেগেও চীনা সেনার সংখ্যা বেড়েছে। ভারতীয় চৌকি ‘কেএম-১২০’-র আশপাশেও পিপলস লিবারেশন আর্মির উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ভারতও পাল্টা চাপ তৈরি করছে চীন সেনার ওপর। 

জনপ্রিয়

Back To Top