আজকাল ওয়েবডেস্ক:  করোনাভাইরাস মোকাবিলার চেষ্টার সঙ্গেই এখন প্রতিষেধক তৈরির দৌড়ও চলছে তাবড় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে। রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, নাকি ভারত, কে আগে প্রতিষেধক তৈরি করবে তা নিয়ে রীতিমতো ঘোড়দৌড়ে নেমেছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা। রাশিয়া যেমন বলেছে তারা এমাসের ১০ তারিখের মধ্যেই এনে ফেলবে প্রতিষেধক। ভারতও বলেছিল তারা ১৫ তারিখের মধ্যে ওষুধ আনবে। চীনের একাধিক কোম্পানি তো প্রতিযোগিতা করেই চলেছে।
আর এই সব দেখেই স্থানীয় সময় শুক্রবার আমেরিকার সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফওচি বলেছেন, চীন বা রাশিয়া যদি প্রতিষেধক তৈরি করেও ফেলে, সেটা তাঁর দেশ ব্যবহার নাও করতে পারে। কারণ পশ্চিমের দেশগুলির থেকে যে সমস্ত দেশের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা অনেকটাই অস্বচ্ছ, সেখানকার প্রতিষেধক কতটা নিরাপদ হতে পারে তা নিয়ে এখন থেকেই সন্দেহ ঢুকে গিয়েছে আমেরিকার মনে। ফওচি বলেছেন, ‘‌আমি আশা করব চীনারা আর রুশরা প্রতিষেধক কারও উপর প্রয়োগের আগে  সেটা ভালো করে পরীক্ষা করে নিচ্ছেন। পরীক্ষার আগেই সেটা বিলির জন্য তৈরি বলে দেওয়াটা আমার মনে হয় সমস্যাজনক।’‌  
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠন বা হু শনিবার বলেছে করোনার প্রভাব থাকতে পারে দীর্ঘ কয়েক দশক। আগেও বিজ্ঞানীদের একাংশ এই ভাইরাসের দীর্ঘকালীন প্রভাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এবার হু–এর ওই মন্তব্যে যেন সীলমোহর পড়ল তাঁদের অনুমানে।

জনপ্রিয়

Back To Top