আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌চার বছরের মেয়াদের মধ্যেই দ্বিতীয়বার ‘‌ইমপিচড’ হতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা আমেরিকার ইতিহাসে নজিরবিহীন। ‌ক্যাপিটল হিল কাণ্ডের পরই তাঁকে প্রেসিডেন্টের চেয়ার থেকে সরাতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন ডেমোক্র‌্যাটরা। ’‌১৯ সালেও একবার ইমপিচমিন্টের মুখে পড়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু সে বার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন দলের বাকি নেতারা। এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাবে সায় দিতে ইতিমধ্যেই ৫ জন রিপাবলিকান হাউজ সদস্য ডেমোক্র‌্যাট শিবিরে যোগ দিয়েছেন। 
২৫ তম সংশোধনী মেনে মার্কিন কংগ্রেসে আগেই একটি প্রস্তাব পেশ করেছিল ডেমোক্র‌্যাট পার্টি। তাতে বলা হয়েছিল, দায়িত্ব পালনে অক্ষম প্রেসিডেন্টকে ‘‌গদিচ্যুত’ করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। যদিও সেই প্রস্তাব খারিজ করেছেন‌ ‘‌ট্রাম্প–ঘনিষ্ঠ’‌। তার পরই সংসদে ভোটাভুটি শুরু হয়, প্রেসিডেন্টকে ‘‌ইমপিচড’ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না। তাতে পক্ষে ভোট পড়েছে ২২৩, আর বিপক্ষে ২০৫। 
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের খসড়া যাঁরা তৈরি করছেন, সেই দলে রয়েছেন মেরিল্যান্ডের প্রতিনিধি জেইমি রাসকিন। তিনি বলেন, ‘‌যিনি সমর্থক ডেকে নিজের সরকারের ওপর হামলা চালান, তাঁকে ইমপিচড করা হবে না তো কাকে করা হবে?‌’‌ 
তাঁর উস্কানিতেই যে সংসদে হামলা হয়েছে, তা মানতে নারাজ ট্রাম্প। যদিও তাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন না হাউজের রিপাবলিকান দলনেতা লিজ চেইনি। বলেন, ‘‌প্রেসিডেন্ট নিজে ওই জনতাকে ডেকে এনেছেন। তাঁদের এক জায়গায় করে হামলা চালাতে উস্কানি দিয়েছেন। দেশের সংবিধান এবং প্রেসিডেন্টের চেয়ারের প্রতি এতবড় বিশ্বাসঘাতকতা কেউ কোনওদিন করেননি!‌’‌ শুধু তাই নয়, সেনেটের রিপাবলিক্যান নেতা মিচ ম্যাককনেলও ভীষণ ক্ষিপ্ত গোটা ঘটনায়। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে খবর, তিনি মনে করেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব নিয়ে আসা উচিত। ডেমোক্র‌্যাটরা তাই করছেন দেখে তিনি খুশি।   

 

জনপ্রিয়

Back To Top