আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ তাদের সীমানা বন্ধ করে দিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় কড়া নজরদারি চলছে। যাতে অন্য দেশ থেকে লোকজন ঢুকতে না পারেন। তাতেও এই ভাইরাসকে থামানো যাচ্ছে না। 
গোটা বিশ্বে এমন একাধিক সীমান্ত রয়েছে। যে সমস্ত সীমান্তে রয়েছে অজস্র ফাঁকফোকর। অর্থাৎ অনিয়ন্ত্রিত সীমান্ত। যে সীমান্ত দিয়ে অবাধে যাতায়াত করা যায়। 
গত মার্চেই এরকম পোরিয়াস সীমানা (‌যে সীমান্ত দিয়ে অবাধে যাতায়াত করা যায়)‌ দিয়ে দেড় লক্ষের বেশি আফগান বাসিন্দা ইরান থেকে নিজেদের দেশে প্রবেশ করেছেন। এখানে বলে রাখা দরকার ইরানে কিন্তু করোনা ভাইরাস ক্রমেই আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। তাই আফগানিস্তানেও করোনার প্রবল সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। ঠিক তেমনিই পাকিস্তান থেকেও হাজার হাজার মানুষ আফগানিস্তানে ফিরেছেন এরকম সীমান্ত দিয়ে। ফাঁকফোকর থাকার কারণে আধিকারিকরাও অবাধ যাতায়াতে বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারছেন না। 
আফগানিস্তানে যদিও আক্রান্তের সংখ্যা ৪২৩। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। কিন্তু ইরান থেকে যে পরিমাণ মানুষ আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছেন, তাতে করোনার বিপুল সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগী অধ্যাপক নাতাশা হাওয়ার্ড বলেছেন, ‘‌করোনা সংক্রমণ নিয়ে যারা সীমান্ত পার করে আফগানিস্তানে এসেছেন। তাদের থেকে বিপুল সংখ্যক আক্রান্ত হতে পারে। যার ফলে বাড়বে মৃতের সংখ্যা।’‌ 
ইরান এবং পাকিস্তানে এরকম অনিয়ন্ত্রিত সীমান্ত রয়েছে। যেখানে অবাধ যাতায়াতের ফলে কোনওভাবেই সম্ভব নয় করোনাকে ঠেকানো। 
‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top