সত্যম রায়চৌধুরী:‌ তিনি শুধু বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক নন, তিনি দুই বাংলার যোগসূত্র। ডঃ আনিসুজ্জামান যতখানি ওপারের, ততখানি এপারেরও। যতবার ঢাকা গিয়েছি কোনও সাহিত্য বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, অবশ্যম্ভাবী তাঁর সান্নিধ্য পেয়েছি। ‘‌ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ’‌–এর যত আলোচনাসভা, যত সাংবাদিক সম্মেলন, সব কিছুর মধ্যমণি আনিস স্যর। বছর আড়াই আগে ঢাকায় প্রথম আন্তর্জাতিক বাংলা সাহিত্য সম্মেলনের প্রাণপুরুষ হিসেবে তাঁকে পেয়ে ধন্য হয়েছিলাম। তাঁর সঙ্গে এক মঞ্চে বসার সুযোগ পেয়েছিলাম। কলকাতাতেও দেখা হয়েছে বহুবার। বাংলাদেশের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে যেবার এলেন, দেখা করতে গেলাম তাজ বেঙ্গলে। লবিতে রীতিমত আড্ডা তাঁকে ঘিরে। বীথি চট্টোপাধ্যায়ের ‘‌প্রথম আলো’‌ পত্রিকার অনুষ্ঠানে আনিসুজ্জামান এলেন। আমার পরম সৌভাগ্য যে, আমি সেদিন তাঁর হাতে তুলে দিতে পেরেছিলাম  ‘‌প্রথম আলো’‌ পুরস্কার। অনুষ্ঠানের পর অনেক কথা হয়েছিল। সেসব স্মৃতি হয়ে রয়ে গেল।

জনপ্রিয়

Back To Top