আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২০০৬ সাল থেকে ২০০৮। ইরাক তখন যুদ্ধক্ষেত্রে। মসুলের দখল নিয়ে চলছে লড়াই। সেই ভয়ানক সময়ে নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে শিক্ষক মজিদ আব্দেনুর নিয়ে এসেছিলেন একটি অ্যাসল্ট রাইফেল। কালাশনিকভ শ্রেণির এই বন্দুক তখন তাঁর নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষা করার অস্ত্র ছিল। কিন্তু নিজের চোখেই মজিদ দেখেছেন কীভাবে যুদ্ধের তীব্রতায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সভ্যতা। কীভাবে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। কীভাবে দিনের পর দিন গৃহহীন হয়ে রয়েছেন আরও কয়েকলক্ষ সাধারণ মানুষ। তাই একটা সময়ের পর কাছে রাখা অস্ত্র দেখেই নিজের মধ্যে অস্বস্তি হতে শুরু করে মজিদের। ‘‌কেন এই যুদ্ধ?‌ কী হবে এই যুদ্ধে জিতে?‌ কার উন্নতি হবে এর জন্য?‌ আর এই গোলাগুলি, বন্দুক বুলেটের শব্দ শুনতে ভাল লাগছিল না। তাই সব কিছুকে সঙ্গীতে বদলে নিতে চেয়েছিলাম। আজ তাই করেছি। বন্দুকে তার লাগিয়ে তৈরি করেছি এই যন্ত্র। আর গুলির শব্দ নয়, এবার থেকে এটিতে শুধু সুর শোনা যাবে।’‌ 
কিন্তু প্রথম থেকে তাঁর এই পরিকল্পনাকে খুব একটা সহজ ভাবে নেননি কেউ। লোহা ঝালাইয়ের দোকানে যখন এই রাইফেল নিয়ে গিয়ে যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনার কথা তিনি বলেছিলেন, তখন হাঁ করে তাকিয়ে ছিলেন দোকানদার। পরে ধীরে ধীরে পরিকল্পনার কথা তাঁর বিশ্বাস হয়। তিনিই আকার আকৃতি পাল্টে যন্ত্রের আকারে এটিকে গড়ে পিটে দেন। তারপর এটিতে তার লাগিয়ে সুর তোলেন মাজিদ। 


‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top