আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফাইজারের টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে আন্তর্জাতিক মহলে। টিকার সুরক্ষা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রশ্ন তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন রিপোর্ট দিয়েছে ইজরায়েলের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। তাঁদের দাবি, ফাইজারের টিকার ডোজে সংক্রমণের হার কমেছে দেশে। করোনা স্ট্রেনের হিউম্যান ট্রান্সমিশন বা এক শরীর থেকে অন্য শরীরে ছড়িয়ে পড়ার হার অনেক কম। গত বছর ২০ ডিসেম্বর থেকে মার্কিন সংস্থা ফাইজার ও তাদের সহযোগী জার্মান রিসার্চ সেন্টার বায়োএনটেক গণহারে টিকাকরণ শুরু করে ইজরায়েলে। সে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, আজ অবধি ফাইজারের টিকার ডোজ ৮৯.‌৪ শতংশ কার্যকরী হয়েছে। মৃত্যুহার কম। এমনকি জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলেই দাবি স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। 
ব্রিটেন প্রথম জানিয়েছিল, ফাইজারের টিকার ডোজে তীব্র অ্যালার্জি দেখা দিয়েছে কয়েকজনের শরীরে। কিন্তু পরে ব্রিটেনের তরফেই জানানো হয়, যাদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, তার মধ্যে দুই স্বাস্থ্যকর্মীর আগে থেকেই অ্যালার্জির ধাত ছিল। এরপর আমেরিকাও দাবি করে, টিকার ডোজে এক স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরে তীব্র অ্যালার্জি দেখা দিয়েছে। তাই অ্যালার্জির ধাত থাকলে এই টিকা নেওয়া উচিত নয় বলে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল।
ইজরায়েল অবশ্য দাবি করেছে, সার্স–কভ–২ ভাইরাসের যে হারে মিউটেশন বা জিনগত পরিবর্তন শুরু হয়েছিল, সেটা এখন কমেছে। গবেষকদের দাবি এখনও অবধি একটা ক্লাস্টারের মধ্যে করোনার অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। যে এলাকাগুলিতে করোনা আক্রান্তদের রক্তে অ্যান্টিবডি মিলেছে, সেখানে ধীরে ধীরে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কমছে। একটা পর্যায়ের পর ভাইরাল স্ট্রেন দুর্বল হতে শুরু করবে। সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কমবে। গড়ে উঠবে হার্ড ইমিউনিটি। ইজরায়েল এই হার্ড ইমিউনিটির দিকেই যেতে চলেছে বলে দাবি ইজরায়েলের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। 

জনপ্রিয়

Back To Top