আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ঠেলার নাম বাবাজি বলে একটা কথা আছে। আর এই কথাটি পাকিস্তানের জন্য একেবারে প্রযোজ্য। আন্তর্জাতিক আদালতে হেরে গিয়েও দাবি করে তারা জিতেছে। তবে শুক্রবার কুলভূষণ যাদবকে নিয়ে সুর নরম করল পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালত যে রায় দিয়েছে তাতে পাকিস্তানের সুর নরম করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। কারণ তারা ভিয়েনা কনভেনশন চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতেই এবার ‘‌কনস্যুলার অ্যাকসেস’‌ দিল ইসলামাবাদ।
এদিন পাক বিদেশ মন্ত্রক থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে পাকিস্তান কুলভূষণ যাদবের সঙ্গে ভারতীয় কূটনীতিকদের দেখা করতে দেবে। তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি আইনি সহায়তাও পাবেন কূলভূষণ।
উল্লেখ্য, গত বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক ন্যায় আদালতের রায়ে জয় পায় ভারত। যাদবের মৃত্যুদণ্ডের ওপরে স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। ১৬ সদস্যের মধ্যে এই রায়ের পক্ষে পড়ে ১৫টি ভোট। শুধুমাত্র অ্যাডহক বিচারক তসাদ্দক হুসেন জিলানির ভোট পায় পাকিস্তান। তিনি পাকিস্তানের নাগরিক। আদালত জানায়, কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনা করুক পাকিস্তান। পর্যালোচনা না করা পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। পাশাপাশি ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের যাদবের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দিতে হবে পাকিস্তানকে। 
বুধবার আদালতের এই রায়ের পর বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গেই রাজ্যসভায় একটি বিবৃতি দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই বিবৃতির মধ্যে দিয়ে কুলভূষণকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের কাছে আবেদন করেছেন বিদেশমন্ত্রী। তারপরই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই বিষয় নিয়ে জোর চর্চা হতে শুরু করে। ‘‌কনস্যুলার অ্যাকসেস’‌ না দিলে তা আদালত অবমাননার দায়ে পড়বে। বাধ্য হয়েই এই পথে হাঁটল ইমরান খানের সরকার বলে মনে করা হচ্ছে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top