আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিপুল চাপে পড়ে গেল পাকিস্তান। ফের আমেরিকা পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্যে অস্বীকার করল। প্রায় ৪৪ কোটি ডলার কমিয়ে ঋণের পরিমাণ করা হয়েছে ৪০০ কোটির কাছাকাছি। যা আগের প্রস্তাবের থেকে অনেকটাই কম। ২০১০ সালের পাকিস্তান এনহ্যান্সমেন্ট পার্টনারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় থাকা এই অর্থ সাহায্যের পরিমাণ কমিয়েছে ট্রাম্পের দেশ। আমেরিকায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সফরের তিন সপ্তাহ আগেই এই বিষয়ে তাঁকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।  
উল্লেখ্য, পিইপিএ, যা ২০১০ সালে পাকিস্তান ও আমেরিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেখানে বলা হয়েছিল, ২০০৯ সাল থেকে পাঁচ বছরের ব্যবধানে মোট ৭৫০ কোটি ডলার পাকিস্তানকে সাহায্য করবে আমেরিকা। কিন্তু ধীরে ধীরে তার পরিমাণ কমতে থাকে। কয়েকদিন আগে সেই অঙ্কটা কমিয়ে করা হয় ৪৫০ কোটি টাকা। এরপর ফের অর্থ সাহায্যে কমিয়ে দিল আমেরিকা। কিন্তু কারণ কী। আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, জঙ্গী দমনে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই এই বিপুল পরিমাণ অর্থ পাকিস্তানকে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। 
এর আগে ভারত পাকিস্তান সমস্যা নিয়ে মধ্যস্থতা করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে তা নাকচ করে দেওয়া হয়। পরে আমেরিকার প্রশাসনের তরফেও সেই বিষয়ে পিছিয়ে আসার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে সন্ত্রাসবাদের কারণেই পাকিস্তান এখন আন্তর্জাতিক মহলের বিরাগভাজন হয়েছে, আমেরিকার অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেওয়া সে কথাই ফের প্রমাণ করল। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top