আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‘‌শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’, ভারতের ভয়ে এখন এই পরিস্থিতি জৈশ–ই–মহম্মদের। এই খবর এখন প্রকাশ্যে এসেছে।‌‌ আফগানিস্তানের জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক এবং আফগান তালিবানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশ–ই–মহম্মদ এবং লস্কর–ই–তৈবা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার বালাকোট অভিযানের পর আতঙ্কে রয়েছে তারা। ডেরা বদলে আশ্রয় নিয়েছে আফগানিস্তানের কান্দাহার এবং কুনারের আন্তর্জাতিক সীমারেখার কাছে। 
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু–কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে হামলা করে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশ–ই–মহম্মদ। ১২ দিনের মাথায় বালাকোটে অভিযান চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। ধ্বংস করে দেওয়া হয় জৈশ–ই–মহম্মদের সব ঘাঁটি বলে দাবি ভারতীয় বায়ুসেনার। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার এই অভিযানের পরই ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স যাতে পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত না করে তার জন্যই ডেরা পরিবর্তন করছে জৈশ–ই–মহম্মদ ও লস্কর–ই–তৈবা। 
পাকিস্তানের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে ভারত চাইছিল পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করতে। পুলওয়ামা হামলা এবং বালাকোট অভিযানের পর আন্তর্জাতিক স্তরে চাপ তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের উপর। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলির নিরাপদ আশ্রয়স্থল এখন আফগানিস্তান। কান্দাহারে ভারতীয় কনসুলেটে ইতিমধ্যে তালিবান আক্রমণের আশঙ্কা করে উচ্চ–সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে জালালাবাদে জৈশ জঙ্গি সেদিক আকবর এবং আতাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে আফগান ন্যাশনাল সিকিউরিটি। তারপরই সামনে আসে জৈশ ও লস্কর জঙ্গিদের আফগানিস্তানে লুকিয়ে থাকার খবর। 
সূত্রের খবর, চলতি বছরের শুরুতে জৈশের প্রধান মাসুদ আজ়হারকে আফগানিস্তানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয় হাক্কানি নেটওয়ার্ক। মাসুদ অবশ্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘেরাটোপের মধ্যেই নিজেকে বেশি সুরক্ষিত মনে করে। পেন্টাগনের এই বছরের রিপোর্ট অনুযায়ী লস্করের ৩০০ জঙ্গি আফগানিস্তানে সক্রিয়।  আফগানিস্তানে সক্রিয় ২০টি জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে লস্কর পঞ্চম স্থানে রয়েছে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top