আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোভিড–১৯–এর মোকাবিলায় রাজধানী টোকিও সহ দেশের ঘন জনবসতিপূর্ণ মোট সাতটা প্রিফেচারে আগামী এক মাসের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে এই ঘোষণা করেছেন তিনি। টোকিও ছাড়া অন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রিফেচারের মধ্যে রয়েছে ওসাকা প্রিফেচার। জাপান দ্বীপপুঞ্জের মোট ৪৪ শতাংশ জনসংখ্যা দেশের এই সাতটা প্রিফেচারেই রয়েছে। এদিন সকালে জাপান পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে আবে বলেন, ‘‌আমরা জরুরি অবস্থা ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি কারণ আমরা বিচার করেছি যে জেশজুড়ে করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রমণের ফলে আমাদের জীবন এবং অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়বে।’‌
এর কারণে দেশের অর্থনীতিতে যে ধাক্কা লাগবে তার মোকাবিলায় জাপান মন্ত্রিসভা জাপানি মুদ্রায় ১০৮ ট্রিলিয়ন বা ৯৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক প্যাকেজ বরাদ্দ করছে। যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশের মোট আর্থিক উৎপাদনের ২০ শতাংশ। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার অর্থনীতির সাহায্যে ১১ শতাংশ আর্থিক প্যাকেজ এবং জার্মানির জন্য ৫ শতাংশ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। 
 

 

বিশেষজ্ঞ দল এবং বেশ কিছু রাজ্য সরকারেরও সায়, ১৪ তারিখের পর লকডাউন বাড়াতে পারে কেন্দ্র

এই প্যাকেজের ফলে কমপক্ষে দুই ট্রিলিয়ন জাপানির চিকিৎসার জন্য ফ্লু–র প্রতিষেধক অ্যাভিগান তৈরি সহজ হবে। যা কোভিড–১৯ রোধে অনেকটাই কাজ দেয়। যে সব পরিবারের রোজগার শূন্য হয়ে গিয়েছে মহামারীর ফলে তাদের হাতে ২৮০০ দিতে পারবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরাসরি খরচের জন্য ব্যয় হবে প্রায় ৩৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা জাপানের অর্থনীতির ৭ শতাংশ। অ্যাবে বলেছেন, অন্যান্য দেশে চলা লকডাউনের পরিস্থিতির থেকে জরুরি অবস্থা অনেকটাই সুরাহা দেবে মানুষকে।
গত সপ্তাহেই টোকিওয় কোভিড–১৯–এর সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়েছে। মঙ্গলবার টোকিওয় নতুন করে ৮০জনের কোভিড–১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে। সোমবার পর্যন্ত জাপানে মৃত ৯৩জন এবং আক্রান্ত ৪০০০–এর বেশি। 

জনপ্রিয়

Back To Top