সমীর দে,ঢাকা: বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে ২৩ ডিসেম্বর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম নুরুল হুদা বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে নির্বাচনের ‌দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। শুক্রবার থেকেই মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু হয়ে যাবে। তা জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৯ নভেম্বর, যাচাই ২২ নভেম্বর। ২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩০ নভেম্বর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করবেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। এবারের নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। তবে কত আসনে তা ব্যবহার করা হবে সেটা এখনও কমিশনের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা হয়নি। ভোটের আগে–পরে আট দিন সেনা মোতায়েন থাকবে। ভোটের আগে পাঁচ দিন, ভোটগ্রহণের দিন এবং পরে দু দিন সেনাবাহিনী সারা দেশে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
এই নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি যোগ দিচ্ছে কি না সেটা এখনও পরিষ্কার নয়। শুক্রবার বিএনপি জোটের রাজশাহিতে মহাসমাবেশ রয়েছে। সেখান থেকে এ বিষয়ে কিছু ঘোষণা করা হতে পারে। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া এক মাস দু দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একফাঁকে নাইকো দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির করানো হয় তাঁকে। জাতির উদ্দেশে দেওয়া 
ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। চলতি দশম সংসদের মেয়াদের শেষদিন আগামী ২৮ জানুয়ারি।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়েছিল। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি ও তাদের মিত্রসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল ওই নির্বাচন বয়কট করে। ১৫৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামি লিগ 
পেয়েছিল ২৩৪টি আসন। আর বিরোধী দল এরশাদের জাতীয় পার্টি পেয়েছিল ৩৪টি আসন। এছাড়া জয়ী হন 
ওয়ার্কার্স পার্টির ৬টি, জাসদ–এর ৫, জাতীয় পার্টির ২, তরিকত ফেডারেশন ২, বিএনএফ ১ ও নির্দল ১৬ জন। নির্দলদের অধিকাংশই আওয়ামি লিগের বিদ্রোহী প্রার্থী।‌

জনপ্রিয়

Back To Top