আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ চূড়ান্ত অর্থনৈতিক সঙ্কটে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে কোনওরকম বিনয় বা রাজনৈতিক আন্তরিকতা দেখাল না আমেরিকা।
দেশের হয়ে আর্থিক তহবিলের উদ্দেশ্যে রবিবারই তিনদিনের সফরে আমেরিকার ডালাস বিমানবন্দরে নামেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশের অর্থনৈতিক দৈন্যদশার জন্য ব্যক্তিগত উড়ানের বদলে কাতার এয়ারওয়েজের বিজনেস ক্লাসে আমেরিকা যান তিনি। কিন্তু রাজনৈতিক নিয়মানুযায়ী, পাক প্রধানমন্ত্রীকে তাঁদের দেশে স্বাগত জানাতে মার্কিন সরকারের কোনও শীর্ষস্থানীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন না বিমানবন্দরে। ইমরানকে স্বাগত জান পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি। তাঁর সঙ্গে শুধু ছিলেন আমেরিকার অ্যাক্টিং চিফ অফ প্রোটোকল মেরি–কেট ফিশার। ইমরানের সঙ্গে আমেরিকা গিয়েছেন পাক সেনাপ্রধান এবং আইএসআই–এর ডিজি। ইমরানদের জন্য কোনও বিশেষ গাড়িরও ব্যবস্থা করেনি আমেরিকা। ফলে আমেরিকায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মদিজ খানের সরকারি বাসভবন, পাক দূতাবাস পর্যন্ত মেট্রো রেলেই যান ইমরান। যদিও পাক সরকার এই রাজনৈতিক নিয়মের ব্যবস্থার জন্য আমেরিকাকে ২৫০০০০ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। সফরকালে পাক রাষ্ট্রদূতের বাসভবনেই থাকবেন ইমরান। মেট্রোয় তাঁকে সঙ্গ দেন কুরেশি এবং ফিশার। পরে মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে জানানো হয় হোয়াইট হাউসে কার্যকরী সফরে আসা বিশিষ্টদের স্বাগত জানাতে হয় অ্যাক্টিং চিফ অফ প্রোটোকলকেই। 
এরপর অবশ্য ক্যাটিটাল ওয়ান এরিনা স্টেডিয়ামে পাক প্রবাসী শিল্পপতিদের সম্মেলনে ইমরানকে বর্ণাঢ্য অভিনন্দন  জানানো হয়। সেখানে ইমরান সাফ জানিয়ে দেন যেখানে দেশ চূড়ান্ত আর্থিক সঙ্কটের মুখে, সেখানে দাঁড়িয়ে জেলবন্দি নওয়াজ শরিফের জন্য এসি–র মতো কোনও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। আসিফ আলি জারদারি এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর বিরুদ্ধেও তোপ দেগে ইরান বলেছেন, দলীয় এবং পাকিবারিক সূত্রে তাঁরা নেতা হয়েছে। 
সফরকালে ইমরান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন। আন্তর্জাতিক তহবিল সংগঠনের কার্যকরী প্রধান ডেভিড লিপটন এবং বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট ডেভিড মালপাসের সঙ্গে দেখা করবেন।
ছবি:‌ নিউজ ২৪

জনপ্রিয়

Back To Top