আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কথা চেপে গিয়েছিল চীন। আগেভাগে জানালে হয়ত রুখে দেওয়া যেত সংক্রমণ। চীনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন হংকং–এর ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান। হংকংয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথের ভাইরোলজি ও ইমিউনোলজি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। ভাইরাসের ভয়াবহতা আগেই টের পেয়েছিলেন ইয়ান। গবেষণাও শুরু করেছিলেন। জট খুলতে গিয়েই প্রশাসনের নজরে পড়েন তিনি। ইয়ানের মুখ বন্ধ রাখতে চালানো হয় সাইবার সন্ত্রাস। খুনের হুমকিও আসে। কোনওক্রমে সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে মার্কিন মুলুকে পালান তিনি। এত দিন বাদে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন ইয়ান। জানান, ডিসেম্বরেই তিনি জানতে পারেন, সার্স–১ এর মতো একটি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। চরিত্র অনেকটাই আলাদা। সুপারভাইজারকে গোটা বিষয়টা জানান তিনি। তাঁকে মুখ বন্ধ রাখতে বলা হয়। সে সময়ে তিনি বুঝে গিয়েছিলেন, এই ভাইরাস একবার গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে ফল মারাত্মক হবে। গত বছর ৩১ ডিসেম্বরেই তিনি বুঝতে পারেন, এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়ায়। তাঁর গবেষণার কথা জানতেন ল্যাবরেটরির কো–ডিরেক্টর মালিক পেইরিস। পেইরিস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থারও উপদেষ্টা। তিনি সবই জানতেন, তাও গোটা বিশ্বকে সতর্ক করা হয়নি। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি তারিখেও হু বলেনি, এই ভাইরাস মানুষে মানুষে সংক্রমণ ছড়ায়, জানাচ্ছেন ইয়াং। 
গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণের জন্য চীনকেই দায়ী করেছে মার্কিন মুলুক। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কথা আগে জানায়নি চীন। ইউহান থেকে আন্তর্জাতিক বিমানও বন্ধ করে দিতে পারত। তা করেনি। সংক্রমণের খবর গোপন রেখে গোটা বিশ্বে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে দিয়েছে তারা। এক মার্কিন গবেষকের অভিযোগ, ইউহানের ল্যাবেই নাকি কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে করোনা ভাইরাস!‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top