সংবাদ সংস্থা, দিল্লি: করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আরও ৪ জন ভারতীয় আক্রান্ত। জাপানের উপকূলে আটকে আছে ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজ। আক্রান্তরা ওই জাহাজের কর্মী। এ নিয়ে ওই জাহাজে ১২ জন ভারতীয় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা মোকাবিলায় তৎপর ভারত। বিভিন্ন বিমানবন্দর ও জাহাজবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং চলছে।
জাপানের উপকূলের ওই জাহাজের আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে রবিবার। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। কোভিড–১৯ সংক্রমণ ধরা পড়তেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বাঁচানো যায়নি ৮০ বছরের ওই জাপানি বৃদ্ধকে। যদিও মৃত্যুর কারণ হিসেবে নিউমোনিয়ার কথা বলা হয়েছে। এর আগে জাহাজের আরও দুই জাপানি যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁরাও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিকে চীনে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। সেখানে এখনও পর্যন্ত ২,৪৪২ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা ভাইরাস। আক্রান্ত প্রায় ৭৭ হাজার। চিন্তিত চীন সরকার। ১৯৪৯ সালে নতুন চীনের জন্মের পর এটাই চীনের জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ‘‌বৃহত্তম আপৎকালীন পরিস্থিতি’, বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর মন্তব্য, ‘‌এটা আমাদের সঙ্কট, আমাদের পরীক্ষা।’
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে উহান–সহ অনেক শহরকে আলাদা করে রাখা হয়েছে। রাস্তায় লোকজনের দেখা নেই। দোকানপাট ফাঁকা। বিশেষ দরকার ছাড়া লোকজন বাইরে বেরোচ্ছে না। হাসপাতালগুলিতে আক্রান্তদের ভিড়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন নতুন হাসপাতাল তৈরি করেছে চীন। চীনের একটি হাসপাতালে আক্রান্তদের পরিচর্যা করে চলেছেন ৯ মাসের গর্ভবতী এক নার্স। রাতারাতি চীনে সকলের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন তিনি। তাঁর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে সমালোচনাও হচ্ছে সমানতালে। একজন লিখেছেন, ‘‌প্রচারের হাতিয়ার করা হয়েছে ওই নার্সকে।’
এদিকে চীন থেকে ভাইরাস ছড়িয়েছে বিশ্বের বহু দেশে। ইতালিতে করোনা সংক্রমণে দু’‌জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে অনেককে আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভাইরাস ছড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতেও। সর্বশক্তি দিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে তৎপর হয়েছে প্রত্যেকে।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top