আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ রুশ টিকায় ভরসা নেই পশ্চিমি দুনিয়ার। ব্রিটেন ও আমেরিকা আগেই ‘‌‌অন্য গন্ধ’‌ পেয়েছে। এবার নাক চাপল কানাডাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হল, পর্যাপ্ত তথ্য বা প্রমাণ, কিছুই নেই। তাই রুশ টিকাকে মান্যতা দেওয়া হবে না। কানাডায় ‘‌স্পুটনিক ভি’ চলবে না। কানাডার উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হাওয়ার্ড এনজু বলেছেন, ‘‌তথ্যের অভাব রয়েছে, তাই রুশ ভ্যাকসিন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’‌ ‌ 
পশ্চিমি লবি থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের একাংশের প্রশ্ন, টিকা তৈরিতে এত তাড়াহুড়ো কেন?‌ ট্রায়ালের রিপোর্ট কোথায়?‌ টিকা তৈরির যাবতীয় বৈজ্ঞানিক ধাপ মেনে চলা হয়েছে কি?‌ অনেকে পুটিনকে ‘‌ফার্স্ট বয়’ মানতে না চাইলেও, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট বলছেন, ‘‌এই টিকায় কাজ দেবে। হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে। সমস্ত পরীক্ষা সম্পূর্ণ। অনুমোদন পেয়ে গেছে ভ্যাকসিনটি। আমার মেয়ের শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। 
জানা গিয়েছে, স্পুটনিক আসলে অ্যাডিনোভাইরাস টিকা, লাইভ অ্যাটেনুয়েটেড। অর্থাৎ সজীব ভাইরাসকে ক্রমাগত প্রক্রিয়াকরণে অনেকটা নির্জীব করা হয়েছে, যেমনভাবে তৈরি হয় ইয়েলো ফিভার, মিজল্‌স, মাম্পস, রুবেলা, টাইফয়েড, প্লেগ বা টিবি ভ্যাকসিন। অক্সফোর্ড, চীন এবং জনসন জনসনের টিকাও অ্যাডিনোভাইরাস থেকেই তৈরি হচ্ছে। রুশ পরিকল্পনা, বাণিজ্যিকীকরণের পর প্রতি বছর অন্তত ৫০০ মিলিয়ন টিকা উৎপাদন। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রাজিল এবং ফিলিপিন্সের সঙ্গে নাকি চুক্তিও পাকা। হু অবশ্য জানাচ্ছে, চাপের মুখে গ্যামেলিয়া স্বীকার করেছে তাদের ফেজ থ্রি হিউম্যান ট্রায়াল নাকি আজ, বুধবার রাশিয়া জুড়ে শুরু হচ্ছে। ৮৫টি অঞ্চলের মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১৫ অঞ্চলে ‘‌ক্লাস্টার ট্রায়াল’‌ সম্পন্ন হবে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top