আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কল সেন্টারে কয়েকশো কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠল ৭ ভারতীয় সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে। আহমেদাবাদের পাঁচটি কল সেন্টারও রয়েছে অভিযুক্তের তালিকায়। শিকাগোর বিচারবিভাগ জানিয়েছে, ওই দুর্নীতির ফলে লোকসান হয়েছে ৫.‌৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতারিত হয়েছেন দু’‌হাজারেরও বেশি মার্কিন নাগরিক। আইনজীবী বি জে প্যাক জানিয়েছেন, পেডে ঋণ, অন্তর্বর্তী রাজস্ব পরিষেবা বা আইআরএস–এ বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে মানুষদের সঙ্গে ছলনা করত অভিযুক্তরা। যখনই কেউ তাদের ফাঁদে পা দিতেন তখনই সেই সব গ্রাহকদের হুমকি দেওয়া হত ঋণ শোধ না করলে তাঁদের গ্রেপ্তার হতে হবে। জেলে পোড়া হতে পারে এবং প্রচুর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
মার্কিন পুলিসের সঙ্গে ভারতীয় পুলিস এই মামলায় যৌথভাবে তদন্ত চালায়। তদন্তে নেমে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার আমেরিকার বিভিন্ন জায়গা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন পুলিস। তাদের মধ্যে মহম্মদ কাজিম মোমিন, পলককুমার প্যাটেল, মহম্মদ শোজাব মোমিন প্রবাসী ভারতীয় নাগরিক। বাকি তিনজন মার্কিন নাগরিক। ধৃতদের জেরা করেই ভারতে আরও সাতজন প্রতারকের সন্ধান পান গোয়েন্দারা। শুক্রবার আহমেদাবাদ, ভোপালে তল্লাশি চালিয়ে তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের জেরায় উঠে আসে শিকাগোর ওই কল সেন্টার দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আহমেদাবাদের পাঁচটি কল সেন্টারও। সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিক তদন্তে গোয়েন্দারা মনে করছেন, শিকাগোর ওই প্রতারক দলের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করত আহমেদাবাদের ওই অভিযুক্তরা এবং ওই কল সেন্টারগুলি।       

জনপ্রিয়

Back To Top