আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিদেশি পড়ুয়াদের ভিসা বাতিল ঠেকাতে এবার আদালতে গেল ক্যালিফোর্নিয়া প্রদেশ। আগেই ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটরনি জেনারেলের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ‘‌করোনা সঙ্কটে হাজার হাজার বিদেশি পড়ুয়াকে এভাবে বিপদে ফেলার কোনও মানে নেই।’‌ কোনও পূর্বাভাষ ছাড়াই গত ৬ জুলাই মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক দপ্তর জানাচ্ছে, এফ–১ কিংবা এম–১ ভিসা নিয়ে এ দেশে থেকে সম্পূর্ণ অনলাইন কোর্স করা যাবে না। হার্ভার্ড ক্রিমসন–এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট লরেন্স ব্যাকাউ বলেন, ‘‌অমানবিক পাবলিক পলিসি এবং আইন–বিরুদ্ধ। আমরা এই মামলাটি অবশ্যই চালিয়ে যাব। যাতে প্রত্যপর্ণের আশঙ্কা ছাড়াই ভিনদেশের পড়ুয়া পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন।’ ট্রাম্প সরকারের এই সিদ্ধান্ত যদি কার্যকর হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইটি–র দাবি, মার্কিন প্রশাসন চাইছে, এই করোনা আবহেই খুলে যাক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। পড়ুয়ারা ক্লাসে গিয়েই পড়াশোনা করুক। যা প্রেসিডেন্টের কথা স্পষ্ট। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি কীভাবে তৈরি হবে, তা নিয়ে এখনও দ্বন্দ্বে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলত পড়ুয়াদের মধ্যে হৈ চৈ তুলতেই এমন ভয়ঙ্কর সিদ্ধান্ত নিল ট্রাম্প সরকার!‌ ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১০ হাজার বিদেশি পড়ুয়া রয়েছেন। ট্রাম্পের ‘‌ফতোয়া’–কে ‘নৃশংস ও বিদেশি–বিদ্বেষমূলক’ তকমা দিয়ে তা প্রত্যাহারের আর্জি জানিয়ে হোমল্যাল্ড সিকিউরিটি ও মার্কিন শুল্ক ও অভিবাসন দপ্তরকে চিঠি দিয়েছেন ৩০ জন ডেমোক্র্যাট সেনেটর ও ১৩৬ জন কংগ্রেস সদস্য।‌ ডেমোক্র‌্যাটদের দাবি, বিদেশি পড়ুয়াদের অকারণে চাপে ফেলা হচ্ছে। ওঁরা দেশে ফিরে গেলে টাইম জোন সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ইন্টারনেট স্পিড কম থাকলেও সমস্যা বাড়বে। 

জনপ্রিয়

Back To Top