আজকাল ওয়েবডেস্ক: আমেরিকার দক্ষিণপূর্ব সমুদ্রতটে মিলেছে বহু তিমি এবং ডলফিনদের মৃতদেহ। সমুদ্রিবজ্ঞানীরা সেই দেহগুলি পরীক্ষা করে দেখেছেন সেগুলির মধ্যে প্রচুর ভারী ধাতুর অংশ এবং দূষিত কণা। ‘‌ফ্রন্টিয়ার্স ইন মেরিন সায়েন্স’‌ শীর্ষক বইয়ে এমনটাই উল্লেখ করেছেন গবেষক এবং বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ওই প্রাণীগুলির দেহ পরীক্ষা করেই বোঝা যাচ্ছে সমুদ্রে কীরকম পরিমাণ বিষাক্ত পদার্থ মিশেছে।
সমুদ্রের জলে বাড়ি, কলকারখানা থেকে রাসায়নিক মিশছে। তাছাড়া মানুষজন সমুদ্রের জলে প্লাস্টিক, থার্মোকল, স্পঞ্জের মতো জিনিস ছুড়ে ফেলছে। মাছেরা এই সব বিষাক্ত জিনিসপত্র খাচ্ছে। এবং সেই ছোট ছোট মাছেদের খাচ্ছে তিমি, ডলফিনদের মতো বড় মেরুদণ্ডী প্রাণীরা। এভাবেই তাদের শরীরেও ঢুকছে দূষিত বর্জ্য। ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৮৩টি তিমি এবং ডলফিনের দেহ ফ্লোরিডা এবং নর্থ ক্যারোলাইনার সমুদ্র তটে পরীক্ষা করেছিলেন। সেগুলির মধ্যে ২১টি ছিল তিমির এবং ৪৬টি ডলফিনের দেহ। এর সঙ্গেই আরও ৯টি অন্য প্রজাতির প্রাণীর দেহও পরীক্ষা করেন তাঁরা। সেখানেই বিজ্ঞানীরা দেখতে পান প্রাণীগুলির কানকো এবং ফুসফুসে পারদ, সিসা, আর্সেনিকের মতো ধাতু জমে রয়েছে। এছাড়া এমন কিছু অ্যান্টিবায়োটিক এবং রসায়ন যা আখের খেতে পোকামাকড় মারতে ব্যবহার হয় বা খাবারের প্যাকেট, জামাকাপড়ে থাকে।       

জনপ্রিয়

Back To Top