আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং ভারতীয় উপমহাদেশের আল–কায়দা প্রধান আসিম উমর যৌথ সেনা অভিযানে নিকেশ হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে এই দাবি করেছিল, গত ২৩ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের হেলমন্ড প্রদেশের মুসা কালা জেলায় আল–কায়দার গোপন ঘাঁটিতে মার্কিন–আফগান যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়েছিল। সেখানেই নিকেশ হয়েছে আসিম। আফগানিস্তানের  ন্যাশনাল ডিরেক্টোরেট অফ সিকিওরিটি বা এনডিএস। বিবৃতিতে তারা দাবি করেছিল, আসিম ছাড়া ওই অভিযানে আল–কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস–এর আরও পাঁচ জঙ্গি নিকেশ হয়েছিল। যাদের অধিকাংশই পাকিস্তানি নাগরিক। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তালিবানদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত মুসা কালায় ডেরা বেঁধেছিল একিউআইএস–এর ওই সদস্যরা।
যদিও, এনডিএস–এর ওই দাবির কয়েক ঘণ্টা পর মঙ্গলবারই তা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তালিবানরা। তালিবানদের মুখপাত্র কারি মহম্মদ ইউসুফ আহমদি পাল্টা বিবৃতি দিয়ে বলেছে, ‌মুসা কালায় একটা বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে আল–কায়দার এক নেতাকে যৌথসেনা অভিযানে বোমাবর্ষণে হত্যা করেছে বলে যে দাবি আফগান প্রশাসন করছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটাকে কাবুল প্রশাসনের ‘‌সাজানো প্রচার’‌ বলেও দাবি করেছে তালিবানরা।
২০১৬ সালেই ৪০ বছরের আসিমকে বিশ্ব জঙ্গি বলে অভিহিত করে একিউআইএস–কে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের তালিকাভুক্ত করেছিল আমেরিকা। হরকৎ–উল–মুজাহিদিনের প্রাক্তন সদস্য আসিম ২০১৪–র সেপ্টেম্বর আয়মান আল–জাওয়াহিরি প্রতিষ্ঠিত একিউআইএস–এর সঙ্গে প্রথম থেকেই যুক্ত। উত্তর প্রদেশের সম্ভাল জেলার বাসিন্দা সানা–উল হক ১৯৯১ সালে দেওবন্দের দারুল উলুম থেকে স্নাতক হয়। তারপর পাকিস্তানের নওশেরার হাক্কানিয়ায় দারুল উলুম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি জেহাদের বিশ্ববিদ্যালয় নামে বিশ্বে পরিচিত। তারপরই জঙ্গি গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে নিজের নাম বদলে আসিম উমর করে ফেলে সানা–উল হক।
ছবি:‌ এএনআই        

জনপ্রিয়

Back To Top