আজকাল ওয়েবডেস্ক: পূর্ব লাদাখকাণ্ডে চীনকে দুষল আমেরিকা। ভারত বা অন্যান্য দেশের প্রতি চীনের আগ্রাসী পদক্ষেপ আসলে কমিউনিস্টদের যা প্রকৃত মনোভাব সেটাকেই বোঝায়। এমনটাই মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথাই বললেন হোয়াইট হাউসের গণমাধ্যম সচিব কেইলি ম্যাকিন্যানি। পূর্ব লাদাখের ঘটনার উপর যে আমেরিকা সম্পূর্ণ দৃষ্টি রেখেছে এবং তার শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশাই করছে, সেকথা জানিয়েছেন কেইলি।
এর আগে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য তথা সিলেক্ট ইনটেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডাম স্কিফ বলেন, গত মাসে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে চীন মারাত্মক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। যাতে ২০জন ভারতীয় জওয়ান মারা যান এবং চীনের যে কতজন জওয়ান মারা গিয়েছেন তার হিসেব এখনও জানা যায়নি। ব্রুকিংস ইন্সটিটিউটের ছাত্রী তন্‌ভি ম্যাডান বলেন, মে মাসের শুরু থেকে পিএলএ এককভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে চাইছে। এর সঙ্গে মহামারীর প্রভাব চীন, আমেরিকা সহ আন্তর্জাতিক নির্দেশিকার প্রতি ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে। ২০১৯–এ অক্টোবরে জিনপিং–এর সঙ্গে বৈঠকে মোদি ভারত–চীন দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। কিন্তু মহামারী এবং সীমান্তে গজিয়ে ওঠা সমস্যা দুদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কুপ্রভাব ফেলতে পারে, কারণ চীনের প্রতি জনমত অনেকটাই পড়ে গিয়েছে। দুদেশের সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করা উচিত বলেই মনে করছেন তন্‌ভি। সমস্যা আরও না বাড়িয়ে কীভাবে আমেরিকা এই সমস্যার সমাধানে ভারতকে সহযোগিতা করতে পারবে বলে তন্‌ভিকে জিজ্ঞাসা করেন কংগ্রেসের সদস্য রাজা কৃষ্ণমূর্তি। জবাবে তিনি বলেন, ভারত–আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির উপর ভিত্তি করেই আলোচনার মাধ্যমে তা সম্ভবপর হতে পারে।
ছবি:‌ এএনআই        ‌‌    ‌        

জনপ্রিয়

Back To Top