আজকালের প্রতিবেদন: ‘দেশে ‌প্রযুক্তিগত শিক্ষার চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে সব চেষ্টা এক বারেই সফল হয় না। তাই হার না মেনে এগিয়ে যেতে হবে। টমাস আলভা এডিসন এক হাজার বার ব্যর্থ হওয়ার পর বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেছিলেন। তাই কোনও কিছু উদ্ভাবন করতে গেলে ঝুঁকি নিতেই হয়। তবে শেখার কোনও শেষ নেই। এটা একটা লাইফটাইম প্রসেস। সারা জীবনই শিখতে হবে।’‌ বুধবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ কথা বললেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ‌ভারতরত্ন প্রণব মুখার্জি। তিনি জানান, টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিয়ে এসেছে। এখানকার বহু পড়ুয়া নতুন উদ্যোগ নিচ্ছেন। প্রযুক্তি শিক্ষাক্ষেত্রে এই ইউনিভার্সিটির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী পড়ুয়াদের বলেন স্বচ্ছ মন নিয়ে লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে। বিভিন্ন আধুনিক কোর্স চালু করে কর্মমুখী শিক্ষার দিগন্ত খোলার জন্য ইউনিভার্সিটির প্রশংসা করেন তিনি। টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে এদিন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা.‌ সুকুমার মুখার্জি, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী ও অধ্যাপক স্পর্শমণি চ্যাটার্জিকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধিতে ভূষিত করা হয়। দন্ত চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য ডা.‌ পি কে ব্যানার্জিকে সম্মানিত করা হয়।
ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর অধ্যাপক গৌতম রায়চৌধুরী তঁার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানান। এবং আগামী দিনের কর্মধারা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ ছাড়াও মনোজ্ঞ ভাষণ দেন কো–চ্যান্সেলর মানসী রায়চৌধুরী। পড়ুয়াদের কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং পিএইডি ডিগ্রি দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক অনুপম বসু, পুরুষোত্তম সেন, শ্রীমানকুমার ভট্টাচার্য, সঙ্ঘমিত্রা ব্যানার্জি, বিমল রায়, অমিতাভ রায়, প্রমুখ।

জনপ্রিয়

Back To Top