আজকাল ওয়েবডেস্ক: অতিমারির পর থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল স্কুল-কলেজ। স্বাভাবিক দিনিলিপি ব্যাহত হয়ে যাওয়ায় মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব পড়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন, মানসিক চাপ সবথেকে বেশি পড়ার কথা শিশুদের মধ্যে। দেশজুড়ে যখন ফের স্কুল-কলেজ খোলা শুরু হয়েছে, সে সময় উলটো তত্ত্ব হাজির করলেন মনোবিদরা। তাঁরা বলছেন, লকডাউনে আখেরে লাভ হয়েছে শিশুদের। 
কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট ডঃ মথুকুরি রামচন্দর বলছেন, লকডাউনের জন্য শিশুরা তাদের শৈশবকে অনেক ভাল করে উপভোগ করতে পেরেছে। অতিমারির আগের সময়পর্যন্ত ক্রেশ বা তথাকথিত ‘প্লে-স্কুলে’ যেতে হত শিশুদের। আর একটু বড় হলে শুরু হয় স্কুল, সেখানেও দৈনিক পড়াশোনার চাপে শৈশব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু লকডাউনে অনেক ফুরসত পেয়েছে তারা। 
এই ফুরসতে পরিবার, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে, মত মনোবিদটির। ফলে আত্মকেন্দ্রিকতা কমেছে, বেড়েছে অন্যের প্রতি সহানুভূতি। আর এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডঃ সুধীর চার্লস বলছেন, লকডাউনে ঘরের বাইরে খেলার সময় পেয়েছে বাচ্চারা, সুযোগ হয়েছে সূর্যের সঙ্গে সময় কাটানোর। এই কারণে বেড়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। 
লকডাউনের প্রথম দিকে মনোবিদরা মনে করেছিলেন, স্কুল যাওয়া বন্ধ হলে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেখা হওয়া বন্ধ হবে শিশুদের। সারাদিন ঘরে বদ্ধ থেকে মানসিক সমস্যায় পড়বে তারা। কিন্তু প্রায় ১১ মাস লকডাউনের পর দেখা গেল, আদৌ কুপ্রভাব পড়েনি। এমনটা মনে করছেন দেশের নামি মনোবিদরা।       
 

জনপ্রিয়

Back To Top