আজকাল ওয়েবডেস্ক: শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ে এখন অনেকেই সচেতন। অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাদ্য, কিংবা রাস্তার ফাস্টফুড এড়িয়ে চলতে হয় তাই। কোলেস্টেরল দু’ রকমের। এক উপকারী (এইচডিএল), আর এক অপকারী (এলডিএল)। এই অপকারী কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়া থেকেই সূত্রপাত হয় হৃদরোগের। কিছু ভোজ্য এবং পানীয় আছে যা ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে। দেখা যাক সেগুলো কী কী। 
রসুন: রসুনে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা নানান শারীরিক সমস্যা দূর করার সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। আবার উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় ২৩ শতাংশ হারে। প্রতিদিনের খাবারে অথবা চায়ে রসুন মিশিয়ে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। 
বিন: এতে আছে দ্রবণীয় ফাইবার যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বিনের মধ্যে থাকা ফাইবার অন্ত্রে অ্যাসিড এবং ফ্যাটকে বেঁধে রাখে কোলেস্টেরল বাড়া আটকে দেয়। 
অ্যাভোকাডো: যদিও এই জিনিসটা খুব একটা সহজলভ্য নয় তবু ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং উপকারীর মাত্রা বাড়াতে দারুণ কাজ করে। 
ডার্ক চকোলেট: মনে রাখবেন দুধ চকোলেট নয়, ঈষৎ তেতো ডার্ক চকোলেটই কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে। 
ওয়াইন: এইচডিএল বাড়াতে ভাল কাজে দেয় অ্যালকোহল। পরিমাণ মতো খেলে উপকার হবে কিন্তু মাপ না বুঝলে উলটো বিপদ। 
ফল: ফলে থাকে খনিজ পদার্থ, ফাইবার এবং বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। ফলে কোলেস্টেরলের দেখভাল সহ স্বাস্থ্য ভাল রাখতে অব্যর্থ ওষুধ তা। 
মাছ: মাছই হল একমাত্র আমিষ খাদ্য যা কোলেস্টেরল কমাতে পারে। সে জন্যই মাংসের সেরা পরিবর্ত এটাই। এর মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। 
বাদাম: হ্যাজেলনাট, ওয়ালনাট, পিস্তাকিয়োস এবং কাজুবাদাম কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। তবে এতে প্রচুর ক্যালরি থাকায় মেপে খাওয়া উচিত।      
 

জনপ্রিয়

Back To Top