শ্রাবণী মুখার্জি: সকাল হলেই এক বাটি ওটস্‌ আর এক গ্লাস দুধে ঘুম ভাঙে তিয়াসার। তার দাবি, আগামী এক মাসের মধ্যে অন্তত ২ কেজি ওজন তাকে কমাতেই হবে। ফিটনেস এক্সপার্টের উপদেশ মেনে তাই রোজ সকাল শুরু ওটস্‌ মিল দিয়ে। কিন্তু প্রকৃত অর্থেই কি ওটস্‌ ওজন কমাতে সহায়ক?‌ ওটস্‌ কি শুধু ওজনই কমায়, নাকি আরও কিছু ভাল গুণ আছে তার?‌ তা ছাড়া আর ৫টা দানাশস্য তো রয়েছেই, খামোখা ওটস্‌ই বা কেন, চলুন উত্তরগুলো খুঁজি

ওটস্‌ আসলে কী?‌
চাল, ডাল বা গমের মতো ওটস্‌ও একটি দানাশস্য। তবে এটির উৎস ভারত নয়। মূলত ইউরোপে এটি উৎপাদিত হয়। এশিয়া মহাদেশে ওটস্ অতটাও জনপ্রিয় নয়। আমাদের কাছে ভাত–রুটি যেমন, পাশ্চাত্যে ওটস্ তেমনই। আমেরিকা, রাশিয়া, কানাডাতে ওটসের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। আমাদের দেশেও ওটস্ উৎপাদন হয়, তবে খুব কম মাত্রায়। ওটসের পুষ্টিমূল্য খুবই বেশি। 

ওটস্ কি সুষম খাদ্য?‌
সুষম দানাশস্যের মধ্যে অন্যতম এটি। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ লবণ, ফাইবার সমস্ত পুষ্টি উপাদানগুলোই এতে ভাল পরিমাণে ও সুষমভাবে রয়েছে। ১০০ গ্রাম ওটসের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে প্রায় ৬৩%‌, প্রোটিন প্রায় ১৪% ও ফ্যাট প্রায় ৮%। ভাতের তুলনায় অনেকটা বেশি প্রোটিন ওটসে পাওয়া যায়। আবার ভাত–রুটির ফ্যাটের তুলনায় ওটসে ফ্যাটের মাত্রাও বেশি। ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ওটসে ভাল পরিমাণে থাকে। খনিজ লবণেও ঠাসা ওটস্। রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক প্রচুর পরিমাণে। ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে অল্প পরিমাণে। 
ওটস্ একটি অ্যান্টি–অক্সিড্যান্টসমৃদ্ধ খাবার। অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট বিভিন্ন অসুখ থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে। এ ছাড়া ওটসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার, যা আমাদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে। 

ওটস্ ম্যাজিক
❃ ওটস্ হৃদয়ের সুরক্ষা প্রদান করে। হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে। ওটসের সলিউবল ফাইবার ‘‌বিটাগ্লুকান’‌ শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল হ্রাস করে। এ বিষয়ে জেনে রাখা ভাল, আমাদের শরীরে তিন ধরনের কোলেস্টেরল থাকে। ‌যথা— ১)‌ এইচডিএল বা হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন— এটি আমাদের শরীরের জন্য ভাল, বলা যায় উপকারী কোলেস্টেরল। ২)‌ এল ডি এল বা লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন।
৩)‌ ভি এল ডি এল বা ভেরি লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন। শেষ দুটো কোলেস্টেরলই আমাদের শরীরের জন্য খুব খারাপ ও ক্ষতিকর। এই কোলেস্টেরল দুটি ধমনিতে জমে ব্লকেজ বা বাধা তৈরি করে। ফলে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হয় না। এর ফলেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। দেখা দিতে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন। বিটাগ্লুকান সামগ্রিক কোলেস্টেরল কমায়, সঙ্গে ক্ষতিকর এল ডি এল ‌এবং ভি এল ডি এলের পরিমাণও কমায়। ফলে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরল জমতে পারে না, ব্লকেজও হয় না। এভাবে আমাদের হৃদ্‌রোগের সমস্যাগুলোকে প্রতিরোধ করে ওটস্।
❃ ওটস্ খুব ভালভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ওটসের মধ্যে থাকা পলিফেনল ও অ্যাভেন্ট্যামাইড অ্যান্টি‌–অক্সিড্যান্ট রক্তগহ্বরগুলিকে তরলীভূত করে বা ভেসোডায়ালেশন করে রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখে। রক্তপ্রবাহ ঠিকঠাক হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। 
❃ আমাদের শরীরে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের মতো বিষাক্ত পদার্থগুলোকে অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট দূরে রাখে, বলা যায় অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট ফ্রি র‌্যাডিক্যালস্ ধ্বংস করে দিতে পারে। ওটসে সেই অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট বেশ ভাল পরিমাণে থাকে। ফলে নানা দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে শরীরকে দূরে রাখা যায়। 
❃ ওটস্ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস বা সুগারের সমস্যাকে দূরে রাখে। ওটসে উপস্থিত সলিউবল ফাইবার বিটাগ্লুকান রক্তে ইনসুলিনের নিঃসরণকে বাড়ায়। রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে গেলেই শর্করার মাত্রা বাড়ে। ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণে সাহায্য করে ওটস্ ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে ডায়াবেটিস থেকে বাঁচাতে ওটস্ বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
❃ ওটস্ একটি লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খাবার। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স আসলে একটি পরিমাপ। যে সব খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, সেই খাবারগুলো খেলে চট করে আমাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। ওটসের বিটাগ্লুকানের উপস্থিতির জন্য গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ওটস্ খেলে ব্লাড সুগার তখনই বেড়ে যাবে না। ব্লাড সুগার হঠাৎ খুব বেড়ে গেলে অঙ্গহানির সম্ভাবনা থাকে। ওটস্ সেটা হতে দেয় না। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ওটস্ স্বাস্থ্যকর খাবার।
❃ ওজন কমাতে সাহায্য করে। ওটসে কার্বোহাইড্রেট থাকে কমপ্লেক্স ফর্মে। অর্থাৎ ওটসের কার্বোহাইড্রেট ফাইবারযুক্ত। চিনিও কার্বোহাইড্রেট, কিন্তু চিনি হল সরল কার্বোহাইড্রেট। সরল কার্বোহাইড্রেট খেলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি শরীরে সংযোজন হয়। কিন্তু কার্বোহাইড্রেটে ফাইবার থাকলে তাতে ক্যালরি সংযোজন কম হয়। ফাইবার খাদ্য থেকে ক্যালরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। আর ফাইবার নিজেও খুব কম ক্যালরিযুক্ত। সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওটস্ একটি কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট। এই ধরনের কার্বোহাইড্রেট অল্প খেলেই পেট ভরে যায়। তাই ওটস্ খেলেও পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে খিদে কম পায়। সারাক্ষণ খাইখাই করার প্রবণতা যাঁদের থাকে, তাঁরা ওটস্ খেতেই পারেন। কারণ পেট বেশিক্ষণ ভর্তি থাকলে খাওয়ার ইচ্ছেটাও কম হয়। খাওয়ার মাধ্যমেই যেহেতু শরীরে ক্যালরি ঢোকে, তাই কম খেলে ওজনও কম হবে।
❃ ওটসের ইনসলিউবল ফাইবার আমাদের বাওল মুভমেন্টে সাহায্য করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। এ ছাড়া সলিউবল ফাইবারও আমাদের শরীরের জন্য খুব সাহায্যকারী। এটি কোলেস্টেরল দূর করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, ডায়াবেটিস রোখে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে। 
❃ ১০০ গ্রাম ওটস্ থেকে মেলে প্রায় ৩০০ ক্যালরি শক্তি। তাই ওটস্ ভাত, রুটির সমতুল্য পুষ্টিগুণ প্রদান করে। 
❃ ওটসে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে খনিজ লবণ, যার মধ্যে আয়রন বা লোহা অন্যতম। ফলে রক্তাল্পতা দূর হয়। 
❃ ওটসে উপস্থিত বিটাগ্লুকান একটি প্রোবায়োটিক এজেন্ট, যা শরীরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে সাহায্য করে। কারণ আমাদের শরীরমধ্যস্থ উপকারী প্রি–বায়োটিক ব্যাকটিরিয়াগুলির বেঁচে থাকার জন্য কিছু প্রোবায়োটিক এজেন্টের প্রয়োজন হয়। ওটস্ সেই এজেন্টের জোগান দেয়।
❃ ওটস্ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। বিউটি ক্রিমের মধ্যে তাই ওটস্ মেশানো হয়, কারণ ত্বকের বিভিন্ন অসুখ ওটস্ সারিয়ে তুলতে পারে।


প্যাকেট খুলে পাঁচ মিনিটেই রান্না শেষ। সময় তো বাঁচলই, সঙ্গে প্রাপ্তি— ভরা পেট, ভরপুর পুষ্টি আর একগাদা গুণ। তার গুণের বহর তো বলে শেষ হয় না। ম্যাজিক মিল ওটসের ম্যাজিক তো আমরা জেনেছি আগের সংখ্যায়, এবার জানব আরও কিছু... ‌

তবে তার আগে আরেকবার চোখ রাখব ওটসের গুণগুলোয়—
● ১০০ গ্রাম ওটসের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে প্রায় ৬৩%‌, প্রোটিন প্রায় ১৪% ও ফ্যাট প্রায় ৮%। ওটস্ একটি সুষম খাদ্য। ১০০ গ্রাম ওটস্ থেকে মেলে প্রায় ৩০০ ক্যালরি শক্তি। তাই ওটস্ ভাত, রুটির সমতুল্য পুষ্টিগুণ প্রদান করে
● ভিটামিন ও খনিজ লবণেও ঠাসা ওটস্
● ওটসে থাকা অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট বিভিন্ন অসুখ থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে
● ওটসের সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার আমাদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে সহায়তা করে
● ওটস্ হৃদয়ের সুরক্ষা প্রদান করে। হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে
● ওটস্ রক্তপ্রবাহ ঠিকঠাক হতে সাহায্য করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
● ওটস্ রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস বা সুগারের সমস্যাকে দূরে রাখে 
● ওটস্ ওজন কমাতে সাহায্য করে
● ওটস্ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে
● ওটসে থাকা আয়রন বা লোহা রক্তাল্পতা দূরে রাখে 
● ওটস্ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে

ওটসের প্রবণতা বাড়ল কেন?‌
এখন প্রশ্ন হল, ওটস্ যখন এত গুণে গুণবান, তবে আগে ওটস্ কোথায় ছিল?‌ কেন ইদানীং এত বেশি ওটসের কথা শোনা যায়?‌ ওটস্ খাওয়ার প্রবণতা বাড়ার কারণ কী?‌ 
আসলে বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে মানুষ অনেক বেশি জানতে পারছে, শিখতে পারছে। হাতের মুঠোয় দুনিয়া হওয়ার সুবাদে কোনও কিছুই আর মানুষের কাছে অধরা নেই। সুদূর মেরুপ্রান্তের কোনও উদ্ভাবন সংবাদ নিমেষে পৌঁছে যাচ্ছে নিরক্ষীয় অঞ্চলে। তেমনই ওটস্ সম্বন্ধে আগে মানুষ কিছুই জানত না, কিন্তু প্রযুক্তির কল্যাণে এখন এর ভাল দিকগুলো সবাই জেনে গেছে। ফলে বাজারে এর একটা চাহিদা তৈরি হয়েছে। তা ছাড়া এখনকার শপিং মল সংস্কৃতিতে আমরা ৫টা দ্রব্য হাতে নিয়ে নাড়াঘাঁটা করে দেখতে পারি। সেখানে আমরা দ্রব্যের তুল্যমূল্য গুণাগুণ বিচার করতে পারি। তা ছাড়া এখন বাইরের প্রচুর আমদানি করা পণ্য এইসব জায়গায় সহজেই মেলে। সহজলভ্য হওয়ায় মানুষের কাছে ইউরোপীয় এই দানাশস্য আর ধরাছোঁয়ার বাইরে নয়। তাই ওটসের প্রবণতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।  

বাজারজাত ওটস্ কি ভাল?‌
ওটস্ যেহেতু প্রধানত বিদেশি দানাশস্য, তাই বিদেশ থেকে আমদানি করে এদেশে এটি অনেক প্রিজারভেটিভ সহযোগে বিক্রি করা হয়। ওটসের প্যাকেটে এই প্রিজারভেটিভগুলো কিন্তু একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই এই ওটস্ বেশি খেলে ওই প্রিজারভেটিভের রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও শরীর রেহাই পাবে না। তাই বাজারের প্যাকেটজাত ওটস্ রোজ না খাওয়াই ভাল।

‌ওটস্ আর ডালিয়া কি এক?‌
ওটস্‌কে অনেকেই ডালিয়া বলে উল্লেখ করেন, তবে ভুল ভাঙিয়ে বলি, ওটস্ আর ডালিয়া একেবারেই আলাদা। ডালিয়া হল গমজাত দ্রব্য। আর ওটস্ গমের মতোই সম্পূর্ণ আলাদা একটি দানাশস্য। আমরা মূলত রোলড্ ওটস্ খাই। অর্থাৎ, মেশিন দিয়ে প্রসেসড করা ওটস্। ব্যানড ওটস্ বা হোল ওটস্ আমরা মূলত পাই না। 

ওটস্ কি সত্যিই ওজন কমায়?‌
আমরা আগেই জেনেছি, ওটসে কার্বোহাইড্রেট থাকে কমপ্লেক্স ফর্মে। অর্থাৎ ওটসের কার্বোহাইড্রেট ফাইবারযুক্ত। কার্বোহাইড্রেটে ফাইবার থাকলে তাতে ক্যালরি সংযোজন কম হয়। ফাইবার খাদ্য থেকে ক্যালরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। তা ছাড়া কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট অল্প খেলেই পেট ভরে যায়। তাই ওটস্ খেলেও পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। ফলে খিদে কম পায়। পেট ভর্তি থাকলে খাওয়ার ইচ্ছেটাও কম হয়। এ ছাড়াও ওটসে যদি আমরা শাকসবজি, ‌ফলমূল যোগ করি, তাহলে ওটস্ আরও বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ হয়। ফলে অল্প খেলেই পেট ভরে থাকে। খাওয়ার পরিমাণ কমে গেলে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট গ্রহণের পরিমাণও কমে। ফলে সামগ্রিকভাবে ক্যালরিগ্রহণ কমে যায়। কম ক্যালরি গ্রহণের ফলে ওজন কমানো সহজতর হয়। 
কিন্তু.‌..
আমাদের দেশে ওটসের সমতুল্য অনেক দানাশস্য রয়েছে, যা কিনা অনেক বেশি সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী। তাই দামি ওটস্ কিনে খেলেই উদ্দেশ্যসাধন হবে না। কেউ যদি ওটস্ উপকারী বলে দৈনন্দিনের বাদবাকি খাবারগুলো বাদ দিয়ে শুধুই ওটস্ খেতে থাকেন, তাহলে তাঁরও কিন্তু সঠিক পুষ্টির অভাব হতে পারে। দৈনিক একবেলা ওটস্ খেতেই পারেন। কিন্তু সারাক্ষণ নয়। তা ছাড়া ওটস্ তো ক্যালরি–ফ্রি নয়। তাই ওটস্ খেলেই রোগা হওয়া যাবে, এ ধারণা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল।


‌‌‌‌সহায়তা:‌ সায়ন্তী ব্যানার্জি

জনপ্রিয়

Back To Top