আজকালের প্রতিবেদন: সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়াবেটিস বা মধুমেহ। অল্প বয়সেই শুধু নয়, স্কুলপড়ুয়াদের মধ্যে বাড়ছে টাইপ টু ডায়াবেটিস। এই রোগ নিয়ে আলাদা বিশেষ কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানাল বিশেষজ্ঞরা। কলকাতায় আয়োজিত হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘‌ডায়াবেটিস আপডেট ২০১৯’। ‌কলকাতা ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজি ফোরাম–‌এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ–বিদেশ থেকে অংশ নেওয়া ডায়াবেটোলজিস্টরা রোগ নিয়ন্ত্রণে একত্রিত হয়ে লড়াইয়ের ওপর জোর দেন। ফোরামের সভাপতি ডাঃ তীর্থঙ্কর চৌধুরি বলেন, ‘‌এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সব মহলেই প্রয়োজন অজ্ঞতা দূর করার। রোগী নির্বিশেষে কী ওষুধ দেওয়া হবে তা চিকিৎসকের ওপরেই নির্ভর করে।’‌ ফোরামের মুখ্য উপদেষ্টা বিশিষ্ট চিকিৎসক সুকুমার মুখার্জি বলেন, ‘‌ডায়াবেটিস রোগ শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বর্তমানে উন্নতমানের আধুনিক ওষুধে এবং জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে সুস্থভাবে থাকা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, ইনসুলিন নেওয়া চালিয়ে যেতে হবে। শহর হোক বা গ্রামাঞ্চল সব স্তরেই ডায়াবেটিসের বিস্তার।’‌ রয়্যাল লিভারপুল হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজিস্ট জিতেন ভোরা বলেন, ‘‌সুগার নিয়ন্ত্রণে ওজন যাতে না বাড়ে খেয়াল রাখতে হবে। হার্ট, কিডনি, চোখের চেকআপ নিয়মিত করানো জরুরি। এখন অনেক নিত্যনতুন ওষুধে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমার সঙ্গে সঙ্গে হার্ট, কিডনিও ভাল রাখে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে হলে স্কুল স্তর থেকে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।’‌ এসএসকেএমের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগীয় প্রধান ডাঃ শুভঙ্কর চৌধুরি বলেন, ‌রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় সমস্ত সরকারি হাসপাতালেই ইনসুলিন বিনামূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শুগারের রোগীরা নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজে লাগাতে হবে। অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক অপূর্ব মুখার্জি, সতীনাথ মুখার্জি, মৌটুসি রায়চৌধুরি, পি এস চ্যাটার্জি, সুজয় 
ঘোষ প্রমুখ। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top