আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মেরুকরণ, সাম্প্রদায়িকতা— এই নিয়ে বারবার মুখ খুলেছেন বাংলার বিশিষ্ট জনেরা। কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বিজেপি–কে। এমনকী ভোটের আগে এই মত প্রকাশ করে একটি গানও গেয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত, ঋদ্ধি সেন, সব্যসাচী চক্রবর্তী সহ বহু শিল্পী। সেই নিয়েই শিল্পীদের তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপি–র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলেছিলেন, ‘‌অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে এলে রগড়ে দেব।’
বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। ১০০–র গণ্ডিও পেরোতে পারেনি। এ হেন দিনে পাল্টা ‘‌রগড়ানি’‌ দিলেন শিল্পীরাই। নিশানায় যে দিলীপ বাবু, তা আর বলে দিতে হয় না। পরমব্রত সোশ্যাল সাইটে লিখলেন, ‘‌আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক’‌। পরমব্রতর এই আবেদনকে সমর্থন করলেন স্বস্তিকা। লিখলেন, ‘‌হোক হোক’‌। 
এর পর ইনস্টাগ্রামেও সেই গানের কথা তুলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি–কে। লিখলেন, ‘‌তোমার কোনও কোনও কোনও কোনও কথা শুনব না আর। যথেষ্ট বুঝি কীসে ভাল হবে। নিজেদের মতো ভাবব...।’ প্রসঙ্গত ওই গানের মূল বক্তব্যই ছিল এনআরসি–কে বিঁধে। বলা হয়েছিল, ‘আমি অন্য কোথাও যাব না, আমি এই দেশেতেই থাকব।’  
পরিচালক সৃজিৎ আবার নিজের মতো করেই ‘‌রগড়ানি’‌ দিলেন। পোস্ট করলেন নিজের ছবি ‘‌ভিঞ্চিদা’‌র একটি দৃশ্য। সেখানে বিজেপি–তে যোগ দেওয়া রুদ্রনীলের মুখে বসালেন নিজের মতো করে সংলাপ। রুদ্রনীল বলছেন, ‘অন্যকে রগড়াতে গিয়ে নিজেই কখন রগড়ে যাবেন! আপনি ধরতে পারবেন না’। পাশে কান্নার ইমোজি। পরাজিত প্রার্থীর এই কথায় রেগে লাল দিলীপ ঘোষ। 
পোস্ট দিয়ে সৃজিৎ লিখলেন, ‘‌জানি, চারিদিকে মহামারির জন্য কঠিন সময় চলছে। কিন্তু এক জন সাধারণ শিল্পী হিসেবে এটা শেয়ার না করে পারলাম না।’‌ এর থেকেই স্পষ্ট যে বিজেপি–র পরাজয়ে খুশির হাওয়া শিল্পীমহলেও। 

 

ছবি:‌ ফেসবুক থেকে

Back To Top