অলোকপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়: বিশপ লেফ্রয় রোডের এই বাড়িতেই থাকতেন প্রোফেসর শঙ্কুর স্রষ্টা। তবে, শঙ্কুর স্রষ্টা বলে সত্যজিৎ রায়ের পরিচয় দেওয়াটা নেহাৎ-‌ই খণ্ডিত প্রচেষ্টা। শঙ্কু-‌প্রসঙ্গের কারণ, এদিন সন্ধ্যায় এ-‌বাড়িতে আমরা যাঁর মুখোমুখি, তিনি, বড়পর্দায় এই প্রথম নিয়ে আসছেন শঙ্কুকে। ‘‌প্রোফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’‌ ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ একদম শেষ পর্যায়ে। আগামী শুক্রবার ছবির মুক্তি। তার আগে আমাদের সামনে প্রথম শঙ্কু-‌ছবির পরিচালক সন্দীপ রায়।
• প্রোফেসর শঙ্কু তো প্রদোষকুমার মিত্রর চেয়ে অনেক বেশি সিনিয়র। কিন্তু পর্দায় আসছেন ফেলুদার অনেক বছর পরে। কেন?‌
•• (‌হাসতে হাসতে)‌ সিনিয়রিটি নিয়ে কোনও সংশয় নেই। শঙ্কু অনেক বড় ফেলুদার চেয়ে। কিন্তু সাহিত্য আর সিনেমা তো আলাদা মাধ্যম।
• ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি তো শুরু হয়েছিল সন্দেশ-‌এ, ১৯৬৫ তে?‌
•• হ্যাঁ, ৬৫-‌র ডিসেম্বরে। শঙ্কুকে নিয়ে বাবা প্রথম লেখেন তারও চার বছর আগে। ৬১ সালে। সেই বছর আবার নতুন করে ‘‌সন্দেশ’‌ বের হল বাবা আর সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায়। বাবা লিখেছিলেন ‘‌ব্যোমযাত্রীর ডায়েরি’‌।
• সত্যজিৎ রায় কখনও শঙ্কুকে নিয়ে ছবি করার কথা ভাবেননি?‌
•• না, বাবা কখনও ভাবেননি। তার প্রথম কারণ, শঙ্কু করতে গেলে বিদেশে শুটিং করতে হবে। কিন্তু ‘‌এলিয়ন’‌ নিয়ে ছবি করার প্ল্যান করে বাবার যে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তারপর উনি আর বিদেশে শুটিং করার কথা ভাবেননি। যিনি বিদেশে এই ছবির কাজকর্ম দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তিনিই মূল গণ্ডগোলটা পাকান। একগাদা টাকা পয়সা নয়-‌ছয় হল। সম্মান নিয়ে টানাটানি। বাবা বীতশ্রদ্ধ হয়ে যান। এই সব নিয়ে বাস্তারিতভাবে আমরা তো একটা বইও করেছি—‘‌ট্রাভেলস অফ দি এলিয়ন’‌। হার্পার কলিন্স থেকে বেরিয়েছে। ফলে, তারপর বাবা আর বিদেশে কোনও ছবির শুটিং করার কথা ভাবেননি বীতশ্রদ্ধ হয়েই। কিন্তু শঙ্কু করতে গেলে বিদেশে যেতেই হবে। তাছাড়া, ভি এফ এক্স করা দরকার, যা তখন বিদেশে ছাড়া সম্ভব ছিল না।
• আপনি শঙ্কু করার কথা কবে ভাবলেন?‌ মানে, সাহসটা কবে পেলেন?‌
•• (হাসতে হাসতে)‌ সাহস-‌ই বটে। তবে, সিরিয়াসলি শঙ্কু করার কথা অনেকদিন ধরেই ভেবেছি। ফেলুদা তো অনেক হয়েছে। কিন্তু শঙ্কু নিয়ে ছবি হল না। অথচ, নানা বয়সের পাঠকদের শঙ্কু নিয়ে দারুন আগ্রহ আছে জানি। তবুও বলতে সাহস পাচ্ছিলাম না। অনেক খরচার ছবি। তাছাড়া, যখন ভেবেছি, তখন এখানকার ভি এফ এক্স-‌এর ওপর ভরসা পাচ্ছিলাম না। অথচ ভিস্যুয়াল এফেক্টস ছাড়া বিজ্ঞানী শঙ্কুকে পর্দায় আনা সম্ভবই নয়।
• ভরসাটা কবে পেলেন?‌
•• ২০১১/‌১২ সাল নাগাদ শ্রীকান্ত মোহতা বলেছিলেন, যদি শঙ্কু করেন, আমাদের কথা ভুলবেন না। কিন্তু খরচের ব্যাপারটা নিয়ে আমার মধ্যে ইতস্তত ভাবটা ছিলই। কিন্তু এস ভি এফ খুবই আগ্রহ নিয়ে আবার এগিয়ে এল শঙ্কুর ছবি করতে চেয়ে। আমিও ভরসা পেলাম।
• শঙ্কুর গল্প বাছাই করতে গিয়ে কোন জিনিসটা বেশি করে মাথায় রেখেছিলেন?‌
•• অনেক জিনিস। গল্প বাছাইটা খুব কেয়ারফুলি করতে হয়েছে। প্রথমত, এটা শঙ্কুকে নিয়ে প্রথম ছবি। তাই একটা বাংলা কানেক্ট চাইছিলাম। যদি প্রথম দশ-‌পনের মিনিট গিরিডিতে কাটিয়ে বাকিটা বিদেশের ঘটনা হয়, তাহলে তো একেবারে ইংরেজি ছবি হয়ে যাবে। শঙ্কুর তো বিদেশি বন্ধু-‌বান্ধবই বেশি। তাই প্রথম ছবিতে বাঙালিয়ানাটা খুব জরুরি বলে মনে হয়েছিল। তাই, যে গল্পে নকুড়বাবুর আবির্ভাব, সেটাই ভাবনায় এল। ব্রাজিলে গিয়ে বিদেশিদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বললেও, শঙ্কু কিন্তু বাংলাতেই কথাবার্তা চালাবে নকুড়বাবুর সঙ্গে। ফলে, বাংলা-‌কানেক্টটা সারাক্ষণই থাকবে। নকুড়বাবু যদি শঙ্কুর সঙ্গে থাকে তাহলে বাংলাটা থাকবে, শেকড়টা থাকবে। প্রথম শঙ্কু ছবিতে বাঙালি দর্শক যেন হোঁচট না খায়, এটা আমার মাথায় ছিল গল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে। তাই ‘‌নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো’‌ থেকেই প্রথম শঙ্কু ছবি ‘‌প্রোফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’‌।
• নকুড়বাবু হিসাবে শুভাশিস মুখোপাধ্যায় কি অবধারিত ছিলেন?‌
•• হ্যাঁ, অবধারিতই বলা যায়। বাবা নকুড়বাবুর যে ছবি এঁকেছেন, সেটা প্রায় শুভাশিসের সঙ্গে মিলে যায়। আশ্চর্য সমাপতন। বাবার আঁকা নকুড়বাবুর ছবি দেখে শুভাশিস চমকেই গিয়েছিল। তাছাড়া, শুভাশিস খুব ভাল অভিনেতা। নকুড়বাবু শুভাশিসকে ছাড়া কাউকেই ভাবতে পারিনি।
• শঙ্কু বাছার ক্ষেত্রেও ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় অবধারিত ছিলেন?‌
•• শঙ্কুকে বাঙালি হতেই হবে এবং ভাল ইংরেজিও বলতে হবে। ইংরেজি বলতে গিয়ে যদি হোঁচট খায়, তাহলে সে শঙ্কু হতে পারবে না। তাকে‌ বুদ্ধিদীপ্ত হতে হবে। ফলে, ধৃতিদাও অবধারিতই ছিলেন আমার শঙ্কুর জন্যে।
• কিন্তু তখন এদিকে-‌সেদিকে শোনা যাচ্ছিল, ধৃতিমানবাবুকে শঙ্কুর মতো দেখতে হবে না। ‘‌লুক’‌ নিয়ে কেউ কেউ সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। এখন অবশ্য শঙ্কুর ‘‌লুক’‌ দেখে সেই সমালোচনা শোনা যাচ্ছে না।
•• সমালোচনা তো ভাল হলেও লোকে করে, খারাপ হলেও করে। তার জন্যে আমি খুব একটা ভয় পাইনি। আমি কনফিডেন্ট ছিলাম। শঙ্কু তো ফেলুদার মতো লম্বা চওড়া নয়। তাছাড়া ধৃতিদা অসাধারণ অভিনেতা।
• সমালোচনা এড়াতেই কি শঙ্কুর শুটিংয়ে কোনও সাংবাদিক বা ফটোগ্রাফারের প্রবেশ নিষেধ করেছিলেন?‌
•• দেখো, প্রথমত এটা প্রথম শঙ্কু। শুধু শুটিং দেখে কিছু বোঝা যাবে না। অনেক ভিস্যুয়াল এফেক্টস দরকার। সেজন্যেই আমি চেয়েছিলাম শুটিং চলাকালীন কোনও ছবি যাতে বাইরে না বেরোয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আজকাল সকলেই বোদ্ধা হয়ে গেছে। কেউ যদি মোবাইলে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেয়, তারপর নানা জনের নানা মন্তব্য উড়তেই থাকবে। তারচেয়ে, পুরো ছবিটা দর্শকরা দেখুন। তাদের যদি ভাল লাগে, আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।
• প্রথম ফেলুদার ছবি করেছেন আপনার পিতৃদেব। ফলে, সত্যজিৎ রায় স্বয়ং ফেলুদার একটা মাপকাঠি তৈরি করে গেছেন। কিন্তু শঙ্কুর ক্ষেত্রে তো সেটা নেই। তার জন্যে কি পরিচালক হিসেবে সুবিধে হয়েছে, না, অসুবিধে হয়েছে?‌
•• এর সুবিধে, অসুবিধে দুটোই আছে। প্রথমত, সিনেমায় শঙ্কুর কোনও বেঞ্চমার্ক নেই। রেফারেন্স পয়েন্ট নেই। ফলে, আমি পরিচালক হিসেবে নিজের ভাবনা-‌চিন্তাকে কাজে লাগিয়েছি পর্দায় প্রথম শঙ্কুকে আনার ক্ষেত্রে। কিছু জিনিস পাল্টাতে হয়েছে। আমি শঙ্কুকে এই সময়ে নিয়ে এসেছি। ২০১৫/‌১৬তে। গল্পটাকে ডিসটার্ব না করে কিছু ক্ষেত্রে বাড়াতে হয়েছে। বিজ্ঞানী শঙ্কুর কিছু কিছু আবিষ্কারকে দেখাতে চেয়েছিলাম। সেটা পেরেছি। শঙ্কুর একটা সূচনা থাকা দরকার মনে হয়েছে। সেটা রেখেছি। কোনওদিন তো এরকম ছবি করিনি। এত বিদেশি অভিনেতাদের নিয়ে কাজ করাটাও নতুন অভিজ্ঞতা।
• বিদেশি অভিনেতাদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করলেন?‌
•• আমাদের ওখানকার লাইন প্রোডিউসার ওখানকার শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমি বাবার আঁকা বিভিন্ন চরিত্রের ছবি পাঠাই। সেই ‘‌লুক’‌ অনুযায়ী শিল্পী নির্বাচন করা হয়েছে। ওঁরা সকলেই থিয়েটার করেন এবং টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন। আমি শঙ্কুর গল্পটাও পাঠাই। ওঁদের সকলেরই খুব ভাল লেগেছে গল্পটা। এটা তো উপরি পাওনা।
• আমাজনে গিয়ে শুটিং করাটা কি সমস্যার ছিল?‌
•• প্রথমত এস ভি এফ আগে এখানে শুটিং করেছে ‘‌আমাজন অভিযান’‌-‌এ। ফলে, পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। কিন্তু এখান থেকে যাওয়াটা দেড় দিনের মামলা। প্রথমে দুবাই। তারপর টানা ১৫ ঘণ্টার ফ্লাইটে সাওপাওলো। ওখান থেকে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার ফ্লাইটে আমাজনের ধারে মানাউস শহর। সমস্যা হয়নি। সময় ধরে কাজ হয়েছে। তবে, একবার ধৃতিদার শরীর খারাপ হওয়ায় ফিরে আসতে হয়েছিল। সেটা ছিল নভেম্বর। আমরা আবার ফেব্রুয়ারিতে গিয়ে শুটিং শেষ করলাম।
• আপনার বিদেশি অভিনেতারা সত্যজিৎ রায়ের ছবি দেখেছেন?‌
•• হ্যাঁ। শুটিং শুরুর আগেই আমাদের লাইন প্রোডিউসার  ওঁদের অনেককেই রেস্টোর করা অপু ট্রিলজি দেখিয়েছেন আবার। তবে, একটা মজার ঘটনা ঘটে এক বিদেশি অভিনেতা ফার্নান্ডোকে নিয়ে। সে বেশ বড়সড় চেহারার। মেক-‌আপ করতে করতে ফার্নান্ডো হঠাৎ বলে ওঠে, তোমাদের তো ইন্ডিয়ান ইউনিট। তার মানে তোমরা সত্যজিৎ রায়ের নাম নিশ্চয়ই শুনেছ!‌ আমি তখন ভাবছিলাম, পরিচয় দেব, কি দেব না। তারপর ভাবলাম, ও তো জেনেই যাবে। তখন আমি বললাম, আমি ওঁর ছেলে। শুনে, ওই বিশাল চেহারার ফর্নান্ডো মেক-‌আপম্যানকে প্রায় ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে আমার কাছে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরল। বলল, ‘‌আমি সানফ্রান্সিসকো ফিল্ম স্কুলে পড়েছি। তোমার বাবার অনেক ছবি দেখেছি। আমি ভাবতেই পারছি না, তাঁর ছেলের ছবিতে আমি কাজ করছি।’‌ একটা দারুন অভিজ্ঞতা হল শুটিং শুরুর আগেই।
• শঙ্কুর ছবি মানেই বিদেশ, বিদেশি চরিত্র। ছবিতে কি তাঁরা ইংরেজিতেই কথা বলবেন?‌
•• আমরা দুটো ভার্সান করছি। একটা বাংলায় ‘‌ডাব’‌ করা। এটা শহরতলীর সিনেমা হল গুলোতে চলবে। না হলে দর্শকরা সেই মজাটা পাবেন না। আর একটা ভার্সান পুরোটাই রিয়্যালিস্টিক। ইংরেজি সংলাপ ইংরেজিতেই থাকবে।
• বিদেশিরা কি সেই বাংলা নাটকের কার্ভালোর মতো বাংলা বলবেন?‌
•• (‌হাসতে হাসতে)‌ ‘‌ঠুমি কেমওন আছো’‌ কেউ বলবেন না। পুরোপুরি বাংলাতেই সংলাপ বলবেন বিদেশিরা।
• শঙ্কুর থিম মিউজিক আপনিই করছেন তো?‌
•• হ্যাঁ, আমিই করছি। এখানেও কোনও বেঞ্চমার্ক নেই। আমি থিম মিউজিকের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান ফোক্‌স ও মিশিয়েছি। খুব সমৃদ্ধ ব্রাজিলের লোকসঙ্গীত।
• এটাই তো থিম মিউজিক?‌ তাহলে অন্য শঙ্কু-‌ছবিতেও এটা থাকবে?‌‌
•• হ্যাঁ, সেটা ভেবেই করা।
• তাহলে শঙ্কু কি এবার প্রতি শীতেই আসবেন?‌
•• সেটা বলা যাচ্ছে না। সবটাই নির্ভর করছে লোকে কেমনভাবে ছবিটা নিচ্ছে, তার ওপর। সবটাই এখন দর্শকদের হাতে।
• কোনও গল্প কি ভাবা আছে পরবর্তী শঙ্কুর জন্যে?‌
•• শঙ্কুর অসাধারণ সব গল্প আছে। কিন্তু অধিকাংশ গল্পই মাঝারি মাপের। তাই ডাবল ফেলুদার মতো দুটো পর্বে শঙ্কুর দুটো গল্প নিয়ে ডাবল শঙ্কু হতেই পারে। ‘‌একশৃঙ্গ অভিযান’‌ নিয়ে ছবি করার ভাবনাও আছে। প্রচণ্ড খাটুনির ব্যাপার। চূড়ান্ত ভি এফ এক্স দরকার।
• এই ছবির ভি এফ এক্স তো এখানেই করলেন?‌
•• এখন তো এখানে খুব ভাল কাজ হচ্ছে। ‘‌ফোর্থ ডাইমেনশন ভিস্যুয়াল এফেক্টস’‌-‌এ বেশিরভাগ কাজ করেছি। কিছুটা এস ভি এফ-‌এর স্টুডিওয়।
• শঙ্কুর দাপটে ফেলুদার অবস্থা কি একটু খারাপ?‌
•• (‌হাসতে হাসতে)‌ না, না। ফেলুদার অবস্থা মোটেই খারাপ নয়। ৯৫ সাল থেকে তো ফেলুদা করছি। ফেলুদার ছবিও অবশ্যই হবে। কাস্টিংটা নিয়ে ভাবতে হবে আগে। তবে, শঙ্কুর তো বয়স হয়েছে। আমাদেরও বয়স বাড়ছে। তাই দর্শকরা ভরসা দিলে শঙ্কুর পরবর্তী ছবির জন্যে খুব বেশি সময় নেওয়া যাবে না।
• ফেলুদা নিয়ে অনেক অনেক কথা লেখা হয়েছে, যেহেতু ফেলুদাকে নিয়ে অনেক ছবিও হয়েছে। এবং এতদিনে সবার কাছে এই ধারণাটাও পৌঁছে গেছে যে, ফেলুদা আসলে সত্যজিৎ রায়। প্রোফেসর শঙ্কু তাহলে কে?‌
•• আমার সবসময়েই মনে হয়, ফেলুদাও সত্যজিৎ রায়, শঙ্কুও সত্যজিৎ রায়। শঙ্কুর মতো এমন একজন বুদ্ধিদীপ্ত, আপাদমস্তক বাঙালি অথচ আন্তর্জাতিক মানুষের কথা ভাবলে তো সত্যজিৎ রায়ের কথাই মনে হয় আমার। আমার  কাছে অন্তত শঙ্কুও সত্যজিৎ রায়।সত্যজিৎ রায়ের বুদ্ধি, বাঙালিয়ানা আর আন্তর্জাতিকতা নিয়ে বইয়ের পাতা থেকে পর্দায় আসছেন প্রোফেসর শঙ্কু। অপেক্ষা এক সপ্তাহের। স্বাগত প্রোফেসর শঙ্কু।‌‌‌‌

ছবি:‌ সুপ্রিয় নাগ

জনপ্রিয়

Back To Top