সঙ্কর্ষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:‌ সঙ্গীতাচার্য উষারঞ্জন মুখোপাধ্যায় স্মরণে এক মনোজ্ঞ সঙ্গীত সন্ধ্যা উপহার দিল ‘‌আহীর’‌ সংস্থা। সম্প্রতি ত্রিগুনা সেন মঞ্চে। অনুষ্ঠানে সংস্থার ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশনায় খেয়াল, রবীন্দ্রসঙ্গীত, আধুনিক গান,  ছড়ার গান, হিন্দি গানে মুখরিত হল মঞ্চ। দেবজ্যোতি ভট্টাচার্যর রাগ ইমন, বৃষ্টি গুহর রাগ মধুমন্তী, বিদিষা শীলের রাগ মূলতানি। ঐষাণী মজুমদারের রাগ বাপেশ্রী, সম্প্রতীক চক্রবর্তীর রাগ পিলু ইভানা মিত্রর রাগ আহীর ভৈরব, কাকলী ভট্টাচার্য্যের রাগ রাগেমন্ত্রী, রুমঝুম পালের রাগ পূর্বী, স্বর্ণদীপ চক্রবর্তীর তিলককামোদ এবং সিদ্ধান্ত ভট্টাচার্যের কণ্ঠে রাগ মালকোষক প্রতিটি নিবেদনে ছিল আন্তরিকতার ছোঁয়া এবং সধীর শিক্ষার ছাপ। অহনা লাহিড়ী, আলো পাল, ঐক্ষাণী দাশগুপ্ত, সরস্বতী ঘোষ, উষসী রায়চৌধুরি, অহনা ইসলাম, ঋতুপর্ণা বিশ্বাস, সুপর্ণা ঘোষ, আহীর মুখোপাধ্যায় এবং সঞ্চয়িতা মুখোপাধ্যায়ের রবীন্দ্র গানও মনোরম উপস্থাপনা। ছোট্ট মেয়ে উজ্জয়িনী বসুর ছড়ার গান ‘‌আয়রে ছুটে আয় পূজোর গন্ধ এসেছে’‌ মেদ্রাতা মন ছুঁয়ে যায়। রঞ্জনা গুপ্তের ‘‌এক প্যার কা নগমা হ্যায়’‌ উজ্জ্বল নিবেদন। সুমেধা দাসের এই ছোট্ট ছোট্ট পায়ের দৃষিকা সরকারের হাট্ট মাটিম টিম, সোহিনী ঘোষের ‘‌দেরে নানা’‌ ভাল লাগে শ্রোতাদের। সব শেষে ছিল সংস্থার প্রাণপুরুষ তথা সঙ্গীতাচার্য পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে ইমন রাগে খেয়াল গান মন ছুঁয়ে যায়। শিল্পীদের সঙ্গে বিভিন্ন যন্ত্রে সহযোগী রঘু নন্দী (‌কী বোর্ড)‌ রানা বিশ্বাস (‌গীটার)‌ গৌতম সরকার (‌তবলা)‌ এবং বিশ্বজিৎ রায় (‌তবলা)‌–‌এর সঙ্গত। 
ছবি:‌ সঙ্কর্ষণ বন্ধ্যোপাধ্যায়।

জনপ্রিয়

Back To Top