সম্রাট মুখোপাধ্যায়: ঘরে একটা টেপরেকর্ডার ছিল। কিন্তু কোনও রেকর্ড প্লেয়ার ছিল না‍‌!‌ বহুদিনই ছিল না!‌ হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ঘরে।
নতুন কোনও সুর মাথায় এলেই হাতের কাছে থাকা হারমোনিয়াম টেনে নিয়ে টেপরেকর্ডারে তুলে রাখা। কিন্তু নিজের পুরনো গান শোনা, বা অন্যেরও, নৈব নৈব চ। কেউ কোনও গান শুনতে দিলে বলতেন ক্যাসেট করে দিতে। তা–‌ও তো খুবই কম।
আর গানের রেওয়াজেও ভারি আপত্তি ছিল হেমন্তের। কখনও কখনও চার–‌পাঁচ মাসও রেওয়াজে বসতেন না। বলতেন, ‘‌আমার গলার ধরন যেরকম, তাতে তা রেওয়াজি গলা নয়।’‌ না, এমনকী বাথরুমেও গান গাইতেন না হেমন্ত। গানের টিউশন আর জলসার ব্যস্ততায় শুরুর দিকে ধ্রুপদী গানের তালিম নেওয়া হয়নি। যখন বম্বেতে থাকেন, আলাপ হল আলি আকবরের সঙ্গে। কথা হল পণ্ডিতজির কাছে সস্ত্রীক (‌বেলা মুখোপাধ্যায়)‌ তালিম নেবেন ক্লাসিকালের। নাড়া বেঁধে শুরুও হল রেওয়াজ। কিন্তু তখন তিনি হিন্দি সিনেমার ‘‌হেমন্তকুমার’‌। ব্যস্ত গায়ক ও সুরকার। অতঃপর বন্ধ হয়ে গেল আস্তে আস্তে অনুশীলন।
মজাটা হচ্ছে যে মানুষটি ধ্রুপদী সঙ্গীতের চর্চা করেননি সেভাবে, তাঁর গান শুনতেই কিন্তু ভালবাসতেন পণ্ডিত আমির খাঁ। বলতেন, ‘‌আসল কথা তো সুরটা ঠিকঠাক লাগানো।’‌ হেমন্ত কিন্তু সচেতন ছিলেন নিজের গায়কীর সীমাবদ্ধতা নিয়ে। কোনও সুরকার সুরে অতিরিক্ত ‘‌ক্লাসিকাল’‌ ছোঁয়া রাখলে বলতেন, ‘‌আরে এ গান তো আমার জন্য নয়, এ তো ধনঞ্জয় বা মানবেন্দ্রর জন্য।’‌ ছবি হচ্ছে ‘‌তৈলঙ্গস্বামী’‌, সুরকার অনিল বাগচী, সুরে ধ্রুপদী ছোঁয়া। গান তোলানোর দায়িত্ব অনিলবাবুর ছেলে অধীর বাগচীর। দুটো গান। একটা গান তুলে গাইলেন। অন্যটা যখন তোলাতে যাচ্ছেন অধীরবাবু, হেমন্তবাবু বললেন, ‌‘‌এই গানটা তুমি করো, আমি অনিলদাকে বলে দেব।’‌
বলতেন, ‘‌আমার গানের জোর ছবি ফুটিয়ে তোলা’‌, যা তিনি রবীন্দ্রনাথের গান থেকে শিখেছিলেন। আর তাই অসম্ভব সময় দিতেন গীতিকারদের।
সাহিত্য, সুভাষ, সঙ্গীত
অথচ এই রবীন্দ্রসঙ্গীত বা ‘‌‌রবিবাবুর গান’‌ ব্যাপারটা তিনি শোনেন বেশ পরে!‌ একদিন তাঁর সঙ্গীত–‌শিক্ষক শৈলেশ দত্তগুপ্তর কাছে। তখন তাঁর বয়স ১৬!‌ আর প্রথম শোনা ও লেখা সেই গানটি ছিল, ‘‌আমার মল্লিকা বনে যখন প্রথম ধরেছে কলি’‌।
কালিদাস মুখোপাধ্যায়ের চার ছেলের মধ্যে মেজ এই সন্তানটির জন্ম বেনারসে। ১৯২০ সালের ১৬ জুন। মা কিরণবালা দেবীর বাপের বাড়িতে। এরপর পৈতৃক ভিটে জয়নগরের বহড়ু গ্রাম, আজকের শহরতলি জয়নগর নয়। তখন তো সত্যিই গ্রাম। নদী আর কচুবন ঘেরা অঞ্চল। সবে ট্রেনের লাইন পাতা হচ্ছে। আর যে দেশের বাড়িতে আছে গৃহদেবতা দধিবামন। যাকে আজীবন অসম্ভব মান্যতা দিতেন হেমন্ত। তাঁর ঠাকুর্দার কচুবন থেকে তুলে আনা ইষ্টদেবতা।
এরপর কলকাতা, ভবানীপুরের গলি। খোলা প্রান্তর থেকে ইটের পাঁজার দারুণ মর্মব্যথা। স্কুল হল স্বনামখ্যাত মিত্র ইনস্টিটিউশন। আর এখানেই আলাপ হল সুভাষ, মানে পরবর্তী ‘‌পদাতিক’‌–‌এর কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে (‌তাঁরও এ বছরই শতবর্ষ চলছে)‌। এই সুভাষই তাঁকে গানে নিরন্তর উৎসাহ জুগিয়ে যাবেন। এই সুভাষই তাঁকে একদিন নিয়ে যাবেন রেডিও স্টেশনে, যেখানে সুভাষেরই লেখা কথায় সুর বসিয়ে গান গাইবেন হেমন্ত। ১৯৩৫ সাল সেটা। আর অনেক পরে সেইসব স্মৃতি লিখতে বসে সুভাষ অননুকরণীয় ভঙ্গিতে লিখে ফেললেন ‘‌হেমন্তর কী মন্তর’‌। সুভাষের সঙ্গে বন্ধুত্বের গোড়ায় ছিল অবশ্য অনেকখানিই সাহিত্যের নেশা। হাতে লেখা পত্রিকা বের করা। পাড়ার লাইব্রেরি ‘‌কল্যাণ সঙ্ঘ’‌–‌এর থেকে আনা বই বুঁদ হয়ে পড়া। এই ‘‌কল্যাণ সঙ্ঘ’‌–‌এর প্রতি শ্রদ্ধা পরবর্তী জীবনেও এতটাই ছিল হেমন্তের যে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে সাম্মানিকের চেকটা নেওয়ার সময় বলেছিলেন, যদি চেকটা ওই লাইব্রেরির নামে করা যায় তো ভাল হয়।
আর ছিল গল্প লেখার টান। ১৯৩৭–‌এ ‘‌কলম্বিয়া রেকর্ডস’‌ থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গানের রেকর্ড, যাতে দুটি গান— ‘‌জানিতে যদি গো তুমি’‌ আর ‘‌বল গো বল মোরে’‌। আর ওই বছরই ‘‌দেশ’ পত্রিকায় বেরোল তাঁর গল্প ‘‌একটি দিন’‌। ঝরঝরে ভাষায় লেখা এক আশ্চর্য ‘‌রিয়ালিস্ট’ গদ্য। যেন ‘‌কল্লোল’‌ যুগের‌‌ প্রতিনিধি। এক নিম্নবিত্ত কেরানির রোজনামচা। গানকে জীবনের আকাশে ‘‌শুকতারা’‌ করতে গিয়ে, ভাল ছাত্র হেমন্ত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাহিত্য নেশা ছাড়েননি। বা সাহিত্যই যে ছাড়েনি তাঁকে, তো বোঝা গিয়েছিল শেষ বয়সে এসে। অর্ধশতাব্দী পার করে আবার লিখতে শুরু করেছিলেন গল্প ‘‌অনুপমা’‌, ‘‌রক্ষাকবচ’‌, ‘‌শতাব্দীর আর্তনাদ’‌। ‘‌আজকাল’‌ থেকে বেরোনো এ সব গল্প সংবলিত ‘‌হেমন্ত‌র গল্প’‌–‌র মুখবন্ধে সুভাষ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘‌না, হেমন্ত দেখছি বুড়ো হবে না।’‌
তরুণ হেমন্ত
কিন্তু বুড়ো হয়েছিলেন তিনিও, সময়ের নিয়মেই। কম বয়সের আরেক বন্ধু সন্তোষকুমার ঘোষ লিখেছিলেন, ‘‌বয়স বাড়ে না, যায়’‌। শেষ দিকে গলায় শ্লেষা জড়ানোর সমস্যা ভোগাত তাঁকে। নিজেও অনেকসময় আক্ষেপ করতেন, দমের সমস্যা নিয়ে। ব্যাপারটা চূড়ান্তে গেল ‘‌ভালোবাসা ভালোবাসা’‌–‌র গান রেকর্ডিংয়ের সময়। নায়ক তাপস পালের কণ্ঠের গানগুলো নিজে গেয়ে রেকর্ড করেও দিলেন না। তিনিই সুরকার। তাহলে গাইবে কে?‌ হেমন্তই খবর পাঠালেন বিরাটির সেই ছেলেটিকে, যে তাঁর গান বিভিন্ন জলসায় গেয়ে বিরাট সুনাম করেছে। ছেলেটির নাম শিবাজি চট্টোপাধ্যায়। হেমন্ত–‌বৃক্ষের তলায় জন্ম হল নবীন সম্ভাবনার।
তরুণ মজুমদার–‌হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বাংলা সিনেমা সঙ্গীতের এক আশ্চর্য জুটি। ‘‌ট্রেন্ডসেটার’। ‘‌পলাতক’‌ থেকে যে জুটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সেই সব মন উদাস করা গান ‘‌জীবনপুরের পথিক রে ভাই’‌, ‘‌দোষ দিও না আমায় বন্ধু’‌, ‘‌মন যে আমার কেমন কেমন করে (‌সদ্য প্রয়াত রুমা গুহঠাকুরতার কণ্ঠে)‌। এ ছবি তরুণ মজুমদারকে ছদ্মনামে (‌‘‌যাত্রিক’ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন)‌ তখন যেমন প্রতিষ্ঠা এনে দিল পরিচালক হিসেবে, তেমনই ওই সময়ে সুরকার হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কেও এনে দিল শক্ত জমি। দুজনেই উত্তম ক্যাম্পের বাইরে এনে দিল নিজস্ব পরিচয়।
অথচ প্রথম প্রস্তাবে এই ছবি করতে চাননি হেমন্ত। তাঁর বক্তব্য ছিল এই ছবির গানের জন্য লোকসঙ্গীতের যে টাচ লাগবে, তা তিনি পারবেন না। যদিও শেষমেশ তিনিই সুর করলেন। এবং বাকিটা ইতিহাস। এর আগে যাত্রিকের সঙ্গে আর একটা ছবি করেছিলেন হেমন্ত। ‘‌কাঁচের স্বর্গ’,‌ যেখানে অবশ্য ছিল দুটো রবীন্দ্রসঙ্গীত।
আবার এই তরুণ মজুমদারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়েই দু’‌বার দুটো জিনিস রীতিমতো শিখতে হয়েছে হেমন্তকে। যাঁরা সে নিষ্ঠা দেখেছেন, তাঁরা জানেন তার একাগ্রতা আর অধ্যবসায়। ‘‌আলোর পিপাসা’‌ করছেন তরুণবাবু। বললেন, এই ছবিতে কিছু সংস্কৃত স্তোত্র লাগবে। নায়ক বসন্ত চৌধুরির মুখে। হেমন্ত সেভাবে তখনও সংস্কৃত জানেন না। শেখা শুরু করলেন অনুরাধা ঘোষের কাছে, বাধ্য ছাত্রের মতো বকাঝকা খেয়ে। আর তার ফল ছবিতে। মধুময় সুরে কালিদাসের কাব্য উচ্চারিত হল নায়কের মুখে। প্রসঙ্গত,‌ এখান থেকেই হেমন্তবাবুর কালিদাস–‌প্রেমের শুরু। তাঁর ইচ্ছা ছিল কালিদাসের ‘‌মেঘদূত’  সুরে রেকর্ড করবার। হয়নি। যেমন হয়নি একক পরিবেশনায় রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য রেকর্ড করা। তাঁর অতি প্রিয় ছিল এই নৃত্যনাট্যের গানগুলি। একা একা টানা গেয়ে যেতেন ‘‌চিত্রাঙ্গদা’‌, ‘‌চণ্ডালিকা’‌র ওই সব গান।
আবার এই তরুণবাবুর ছবি ‘‌ফুলেশ্বরী’‌–‌র জন্য প্রয়োজনীয় কবিগান শিখতে চলে গেছেন গ্রামে। সেখানেও বাধ্য ছাত্রের মতো শিখেছেন ‘‌ইগো’‌ ত্যাগ করে। ‘‌টপ্পা’‌ গাইতেন না। খুব যে পছন্দ করতেন, তা–‌ও না। কিন্তু তরুণবাবুর ‘‌অমরগীতি’‌–‌র তিনিই সুরকার হলেন। আগে ঠিক ছিল নায়ক নিধুবাবুর গলায় তিনিই গাইবেন। রামকুমার চট্টোপাধ্যায় হবেন সঙ্গীত উপদেষ্টা। কিন্তু গায়কের ভূমিকাটা তিনি রামকুমারবাবুকেই ছেড়ে দিলেন পরে।
এরপর তরুণবাবু যখন ‘‌আপন আমার আপন’‌‌‌ করছেন, সুরকার রাহুল দেববর্মন। কাগজপত্র তোলপাড় ‘‌সোনার জুটি’‌ ভেঙে গেল বলে। সে–‌বিতর্ক চাপা দিতে ছবিতে একটি দৃশ্যের অবতারণা করতে হল। সে দৃশ্যে অসুস্থ শরীরেই অভিনয় করলেন হেমন্তবাবু। যেখানে দেখা গেল এক অনুষ্ঠান মঞ্চে নায়ক (‌যে একজন গায়ক)‌ তাপস পালকে গাইতে আসতে প্রস্তাব করছেন শিবাজি চট্টোপাধ্যায়। আর সেই প্রস্তাব করছেন স্বয়ং হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ঘটনা হচ্ছে এটাই, এই ছবির সুর করার জন্যও তরুণবাবু অনুরোধ করেছিলেন হেমন্তকে। তিনিই অসুস্থ শরীরের জন্য রাজি হননি।
বন্ধুত্ব যখন বন্ধুর
যন্ত্রণা পেয়েছিলেন বরং উত্তমের সঙ্গে সাময়িক জুটি ভাঙায়। যে উত্তমের সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া ও কণ্ঠমিল এমন ছিল যে ডাবিং–‌এ উত্তম না থাকলে তিনি তা করে দিতেন (‌হারানো সুর‌–‌এ সেই ‘‌রমা রমা’‌ ডাক)‌। আর ‘‌ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস’‌ (‌‘‌শাপমোচন’‌)‌, ‘‌শূন্যে ডানা মেলে’‌ (‌‘‌তাসের ঘর’‌)‌, ‘‌তোমার ভুবনে মাগো এত পাপ’‌ (‘‌‌মরুতীর্থ হিংলাজ’‌), ‘‌তারে বলে দিও’‌ (‌‘‌দুই ভাই’)‌ এই সব গান ছাড়া উত্তমের ছবি ভাবা যায়?‌ আবার হেমন্ত না থাকলে, কখনও উত্তমও প্রক্সি দিয়েছেন জলসায়। ‘‌বসুশ্রী’‌–‌র আসরে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘‌ডুয়েট’‌ করেছেন ‘‌এই পথ‌‌ যদি না শেষ হয়’‌। হাততালির ঝড় উঠেছে।
কিন্তু পথ থমকে গিয়েছিল ছয়ের দশকের গোড়ায়। দু‌টো কারণ দায়ী, অনেকে বলেন। এবং ‘‌নীল আকাশের নীচে’ দিয়ে ছবি প্রযোজনায় ‘‌হেমন্ত–‌বেলা প্রোডাকশনস’‌। উত্তমকুমারকে চীনা চরিত্রটি করতে বলেন হেমন্ত। মেক–‌আপ করতে অনেক সময় লাগবে এই অজুহাতে সরে যান উত্তম। ওই চরিত্রটি করেন কালী ব্যানার্জি। পরে চীন–‌ভারত যুদ্ধের সময় এই ছবি নিয়ে নানা কুৎসার মুখেও পড়তে হয় হেমন্তকে। উত্তম সেভাবে পাশে দাঁড়াননি। প্রসঙ্গত, এই ছবি সূত্রেই পরিচালক হিসাবে তরুণ মৃণাল সেনকে তুলে আনেন‌ হেমন্ত। তিনিও পরবর্তীতে তাঁর ছবির এক ‘‌রেট্রোস্পেকটিভ’‌–‌এ এই ছবিকে জায়গা দেননি। তা খুব দুঃখ দিয়েছিল বর্ষীয়ান হেমন্তকে। দুই, ইংরেজি এক গল্প পড়ে তা থেকে হিন্দিতে ‘‌শর্মিলি’‌ ছবি করবেন প্রযোজক হেমন্ত, নায়ক ভাবলেন উত্তমকে। ডেটও পেলেন। নায়িকা ওয়াহিদা রহমান। সেই মতো বিজ্ঞাপন গেল। পরে উত্তম বেঁকে বসলেন। ছবি হল না।
দু‌জনের আবার সম্পর্ক জুড়েছিল, উত্তমের বাড়ি এক বিবাহ অনুষ্ঠানের রাতে। ভুল বোঝাবুঝি কাটে।
 কিন্তু পরের দিকে উত্তম কিছুটা সরে গেলেন মান্না দে, শ্যামল মিত্রতে। আর হেমন্তর হিটগুলো হল ‘‌ও আকাশ সোনা সোনা’ (‌সৌমিত্র)‌, ‘‌সুরের আসর থেকে মন নিয়ে এসেছি গো’ (‌অনিল চ্যাটার্জি)‌, ‘‌কে যেন গো ডেকেছে আমায়’‌ (‌সৌমিত্র)‌, ‘‌চঞ্চল মন আনমনা হয়’‌ (‌সর্বেন্দ্র)‌। এই পর্বে উত্তমের জন্য বরাদ্দ হল মূলত রবীন্দ্রসঙ্গীত। ‘‌মন নিয়ে’‌, ‘‌নবরাগ’‌, ‘‌অগ্নীশ্বর’‌–‌এ। বোঝা গেল সুরের আকাশের শুকতারা অন্যত্র চলে গেছেন। ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top