আজকাল ওয়েবডেস্ক: নুসরতকে বিশ্বাস করে আসলে তিনিই ঠকে গেছেন, অবশেষে মুখ খুললেন নিখিল জৈন। বুধবার নুসরত জাহানের প্রেস বিবৃতির পর, নিখিলও একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। জানান, বিবৃতিতে নুসরত তাঁর বিরুদ্ধে যা জানিয়েছেন, সবটাই মিথ্যে এবং ভিত্তিহীন। নিখিল জানান, ঋণে জর্জরিত নুসরতকে তিনি সাহায্য করেছিলেন বিয়ের পর। যত পরিমাণ ঋণ তাঁর ছিল, সবটাই নিজের পারিবারিক অ্যাকাউন্ট থেকে নুসরতের হাতে তুলে দেন তিনি। ভরসা ছিল মাসিক কিস্তির মাধ্যমে সবটাই ফেরত দেবেন নুসরত। বিবৃতিতে নুসরত যে টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলেছেন, সেটা ঋণের টাকাই। এমনকি এখনও বহু টাকা তিনি পান। তিনি যে মিথ্যে বলছেন না তার প্রমাণস্বরূপ ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ডিটেলস কথা বলবে। নিখিল এও জানান, তাঁর পরিবার নুসরতের অর্থ, গয়না, তথ্য কোনও কিছুই আটকে রাখেননি। ২০২০ সালে ৫ নভেম্বর যখন নুসরত তাঁকে ছেড়ে বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে চলে যান, তখন গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত কিছুই নিখিলের বাড়ি থেকে নিয়ে যান তিনি। এমনকি যা কিছু বাড়িতে ছিল, সবটাই পরবর্তীতে তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

নিখিল স্বীকার করেন, ভালবেসে বিয়ের প্রস্তাব তিনিই দিয়েছিলেন নুসরতকে। প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় ২০১৯ সালে জুন মাসে তাঁরা তুরস্কে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর রেজিস্ট্রেশন করেননি। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই রেজিস্ট্রেশন নিয়ে নিখিল কথা বলতে চাইলেই, এড়িয়ে যেতেন নুসরত। নিখিল সাফ জানান, ২০২০ সালে অগস্ট মাসের একটি সিনেমার শুটিংয়ের পর থেকে বদলে যান নুসরত। যশ দাশগুপ্ত এবং সিনেমার নাম বিবৃতিতে প্রকাশ করেননি তিনি। কিন্তু পরোক্ষভাবে তাঁদের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন বিবৃতিতে। নুসরত তাঁকে ছেড়ে যাওয়ার পর ২০২১ সালে মার্চ মাসে আলিপুর আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন তিনি। 

নিখিল এও জানান, নুসরতকে আদতেই ভালবাসতেন তিনি। বিয়ের পর কোনও শর্ত চাপিয়ে দেননি তাঁর উপরে। নিজের জগত নিয়ে স্বাধীন ভাবেই থাকতেন নুসরত। স্ত্রীয়ের প্রতি স্বামীর যা কর্তব্য থাকে, সবটাই পালন করতেন তিনি। তিনি এবং তাঁর পরিবারের সকলে মেয়ের চোখেই দেখতেন নুসরতকে। কিন্তু বিয়ের এক বছরের পর থেকেই তিনি এতটা বদলে যাবেন, সেটা কল্পনা করতে পারেননি কেউ। 

জনপ্রিয়

Back To Top