আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মাতানের কথা আমরা আগেও লিখেছি। সহজ পথে সহজ ধারার সংস্কৃতি চর্চা মাতানের মূল কথা। মাতানের আয়োজকরা বলেন, ‘‌শহুরে সংস্কৃতির মোড়কে নয়, বরং গ্রামের গানকে গ্রামের মতো করে দেখাই মাতানের উদ্যেশ্য।’‌ তাই এবারেও বোড়াল পার্লামেন্ট ক্লাবের মাঠে তাঁরা আয়োজন করেছেন এবারের উৎসব। আগামী ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর আয়োজিত হবে মাতানের সভা। সেখানেই দূর দূরান্ত থেকে হাজির হবেন বাউল ফকিররা। সনাতনী পথেই এই বাউল ফকিরের সভা বসতে চলেছে পার্লামেন্ট ক্লাবের মাঠে। সবচেয়ে বড় কথা, মাতানের এই উৎসবে নেশা বর্জিত এক গানের উৎসব আয়োজিত হয়। যেখানে শহরের নানা প্রান্তে আয়োজিত অনেক বাউল ফকির উৎসবেই এখন গানকে অস্বীকার করে নেশা প্রাধান্য বিস্তার করেছে, সেখানে মাতান একেবারে অন্য পথের পথিক। তাই মাতানের দর্শকও একেবারে অন্যরকম। এখানে মানুষ সঙ্গ করতে হাজির হন। গান শুনতে হাজির হন। শুধু তাই নয়। বড় কোনও স্পনসরশিপও এই মেলার পিছনে নেই। মাতানের আয়োজকরাই মেলা শুরুর আগে ঘুরে ঘুরে গান বাজনা করেন। সেখান থেকেই মাধুকরী করে টাকা তোলার কাজ চলে। সেই অর্থেই মেলার খরচ চালান আয়োজকরা। তাই সব মিলিয়ে বর্ধিত দক্ষিণ কলকাতার এই শহুরে পল্লী সপ্তাহ শেষে দুটো দিনের জন্য হয়ে ওঠে একেবারে দেহাতি আখড়া। কারণ, এখানে প্রাণ আছে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top