আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌ফেসবুকের হাত ধরে ভাইরাল হয়েছেন রাণাঘাটের রানু মণ্ডল। এখন তাঁর পরিচিতি রাণাঘাটের লতা। রাণাঘাট স্টেশন থেকে একেবারে মুম্বইয়ের রেকর্ডিং স্টুডিওতে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। একেই বলে ভাগ্যের চাকা!‌ স্টেশনে বসে গান গাইতেন। গান পছন্দ হলে লোকে টাকা ছুড়ে দিত। কেউ কেউ আবার খাবার কিনে দিতেন। সেসব দিন এখন অতীত। এখন রাণাঘাটের রানু মণ্ডল ‘‌সুপারস্টার’। আর হবেন নাই বা কেন?‌ পাশে পেয়ে গিয়েছেন তো বলিউডের মিউজিক পরিচালক হিমেশ রেশমিয়াকে। স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে হিমেশের সঙ্গে গেয়েও ফেলেছেন একটি গান– ‘‌তেরি মেরি কাহানি’‌। আর আটকায় কে!‌ গেয়ে ফেললেন আরও একটি গান। সেই গানের একটি ছোট্ট অংশ নিজের ইন্সস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন রানু।

তাতে দেখা গিয়েছে, মেয়ে সাথী রায়কে পাশে নিয়ে মা–মেয়ে মিলে অনায়াসেই গেয়ে দিলেন ১৯৬৮ সালের ‘‌ব্রহ্মচারী’ সিনেমায়ে মহম্মদ রফির গাওয়া সেই অনবদ্য গান ‘‌আজকাল তেরে মেরে পেয়ার কে চর্চে’। এই ভিডিওটিও রীতিমতো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। 
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই রানু ও তাঁর পরিবারকে ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে গিয়েছে। উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। অনেক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্টেশনে বসে রানু গান গাওয়ার দিনগুলিতে পাশে ছিলেন না মেয়ে এলিজাবেথ সাথী রায়। যদিও এই খবরকে একেবারে অস্বীকার করেছেন রানুর মেয়ে। জানিয়েছেন, ‘‌এটা একেবারেই বাজে কথা। হ্যাঁ, হতে পারে মা সবসময়ে দেখতে পারতাম না। কিন্তু সবসময়ে যোগাযোগ রেখেছি আমি। মা কখনই আমাদের সঙ্গে থাকতে চায়নি।’‌‌‌  

জনপ্রিয়

Back To Top