সঙ্কর্ষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

একসময় লকডাউনে ঘরে বসে বসে মনে হত, আবার কবে শুটিং শুরু হবে। হ্যাঁ, আবার আমাদের পুরোদমে শুটিং শুরু হয়েছে প্রায় এক মাস হল। আবার আমি উজান চ্যাটার্জি হয়ে ফিরে এসেছি ‘‌এখানে আকাশ নীল’‌–এ। জানালেন শন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই লকডাউনে যখন শুটিং বন্ধ ছিল, আমার নিজের অনেক কাজ করেছি যা শুটিং থাকলে করা হয়ে ওঠে না। যেমন, ছবি আঁকা আমার খুব পছন্দের। কিন্তু অন্য সময় শুটের চাপে ছবি আঁকতে পারি না। এই সময় দিনে দু–তিনটে স্কেচ করছি, বই পড়ছি, মেডিটেশন করছি। আর অনেক ক্লাসিক সিনেমা, ওয়েব সিরিজ দেখছি। এর মধ্যে অবশ্যই দিদা (‌সুপ্রিয়া দেবী)‌ এবং উত্তমকুমার অভিনীত ছবিও আছে। টানা ছুটিতে প্রচুর ঘুমিয়েছি, বাড়ির লোকেদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি এবং অবশ্যই নিয়ম করে শরীরচর্চা চালিয়ে গিয়েছি। এখন আবার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত। অনেক সাবধানতা অবলম্বন করে ফ্লোরে শুটিং চলছে। প্রথম দিকে লকডাউনের পর শুটিংয়ে পিপিই, গ্লাভস বেশি করে ব্যবহার হয়েছিল। এখন পিপিই সেভাবে ব্যবহার হচ্ছে না, কিছু কিছু জায়গায় মাস্ক ব্যবহার হচ্ছে শুটিংয়ে। ‘‌অ্যাপার্ট ফর্ম দ্য হসপিটাল’‌ গল্পে একটা ফ্যামিলি ড্রামা রয়েছে, এই কারণে সবসময় মাস্ক পরানো দেখানো সম্ভব নয়। যতটা পারা যাচ্ছে, মাস্ক সমেত শুটিং চলছে। ‘‌এখানে আকাশ নীল’‌ ধারাবাহিক এই মুহূর্তে কোন বাঁকে, এই প্রশ্নের উত্তরে শন (উজান) জানালেন, ‘‌ধারাবাহিকে ডাক্তার ঝিনুক সেনের এন্ট্রি হয়েছে। এই চরিত্রটা করছে প্রমিতা চক্রবর্তী। ঝিনুক উজানের জীবনে এসেছিল। সে উজানকে সব বিষয়ে সাপোর্ট করে। হিয়া চলে যাওয়ার পর সমস্ত ইমোশনাল সাপোর্ট দিয়েছে ঝিনুক। ঝিনুকের মেয়ে অলির প্রতি উজানের একটা সফট কর্নার তৈরি হয়েছে। এখন আবার হিয়া ফিরে এসেছে উজানের জীবনে। ওদের মিল হয়েছে বটে, তবু অনেক অভিমান, রাগ আছে। উজান, হিয়া দু’‌জনেই আগের অবস্থানে ফিরতে চাইছে। তবে এই মুহূর্তে বুঝতে পারছি না কী হবে। অবশ্য একটা প্রোমো এসেছে যেখানে দেখানো হয়েছে, উজান হিয়ার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছে। তবে এখনই সেটা হবে কি না, সে বিষয়ে সংশয় আছে কারণ হিয়ার একটা বড় অসুখ আছে। যেটার চিকিৎসা প্রয়োজন। এমনই এক বাঁকে দাঁড়িয়ে উজান। তবে সেই লকডাউনের বন্দি–জীবনের তুলনায় নতুন পরিস্থিতিতে সবরকম বিধিনিষেধ মেনে এই শুটিংটা উপভোগ করছি।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top