‌‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘রাজনৈতিক জায়গায়‌ চলে গিয়েছে ঘটনাটি’ ‌সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত বিষয়ে মুখ খুললেন বিহারের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পান্ডে।
১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই জল্পনার শেষ নেই। মুম্বই পুলিশ আত্মহত্যা বলে দাগিয়ে দেয়। মানতে চান না অনেক অনুগামী। প্রথম দিকে আঙুল ওঠে বলিউডের প্রভাবশালীদের দিকে। বলা হয়, ‘‌নেপটিজম’– এর শিকার হয়ে নিজের জীবন শেষ করতে বাধ্য হয়েছেন সুশান্ত। এরইমধ্যে পাটনায় সুশান্তের বাবা সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে‌ ঘটনার মোড় বদলে চলে যায় অন্যদিকে। অভিযোগ ওঠে সুশান্তের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রতারণা করেছেন রিয়া চক্রবর্তী। তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছেন তিনি। এরপরে গোটা বিষয়টি চলে যায়, পাটনা বনাম মু্ম্বইয়ের লড়াইয়ে। কোন রাজ্যের পুলিশ কত তাড়াতাড়ি কী কী তথ্য প্রকাশ করতে পারছে। এরমধ্যে এরকম বিতর্কও ওঠে, বিহারে ক’‌দিন পরেই নির্বাচন। আর তার জন্যেই মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার সুশান্তের ঘটনাকে কাজে লাগাচ্ছেন। 
মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি চলাকালীন, বিহার পুলিশ এবং মুম্বই পুলিশের মধ্যে বেস উত্তপ্ত তর্কবিতর্ক চলে। এরকমই একটা সময়ে, যখন শীর্ষ আদালতে শুনানির কয়েক ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর এনডিটিভির সঙ্গে একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে বিহারের পুলিশ প্রধান গুপ্তেশ্বর পান্ডে বললেন, ‘‌ঘটনাটি যখন ঘটেছিল, তখনও আমরা এর কুৎসিত মোড়গুলি অনুমান করতে পারিনি। বিষয়টি এখন রাজনৈতিক হয়ে উঠেছে। আমি মনে করি যে বিহারের এক্তিয়ার রয়েছে এই মামলায়। এখানে টাকাপয়সার ঘটনা জড়িত রয়েছে। সুশান্ত বিবাহিত ছিলেন না। তাই তাঁর বাবাই এখন উত্তরাধিকারী হিসেবে মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তবে, শীর্ষ আদালতে যখন এই বিষয়টির বিচার হচ্ছে, আমি এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আমরা ১০ জনের বয়ান রেক্রড করেছি। আমাদের কাছে মেডিক্যাল প্রমাণ, ফরেনসিক রিপোর্ট বা সিসিটিভি ফুটেজ কিছুই নেই। তবে আমরা যা কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করেছি, আমরা কেবল সঠিক প্ল্যাটফর্মেই বিশদে প্রকাশ করব।’
কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি অর্থাৎ সিবিআই এবং ইডির তদন্ত সম্পর্কে বিভিন্ন বিতর্ক উঠছে। সেবিষয়ে প্রশ্ন করতে গুপ্তেশ্বর পান্ডের জবাব, ‘‌পরিণতি যাই হোক না কেন, কিছু মামলার তদন্তের শেষে পৌঁছতে সময়ে লাগে। এটি কেবল সিবিআইয়ের কথা নয়। বিশ্বের কোন তদন্তকারী সংস্থার পক্ষেই তদন্তের সময়সীমা আগে থেকে বলে দেওয়া সম্বব নয়।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top