আজকালের প্রতিবেদন: যাবতীয় সুরক্ষাবিধি মেনে রক্তদান শিবির করার অনুমতি দিল স্বাস্থ্য দপ্তর। বুধবার রাতে এই বিষয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করেছে। ‌গরমে রক্তের চাহিদা বাড়ছে। 
নির্দেশিকা
æ    প্রতি শিবিরে ৫০ জনের বেশি নয়।
æ    কোভিড–১৯ সংক্রমিত এলাকায় শিবির নয়।
æ    শিবিরের দিনক্ষণ ঠিক করার আগে পুলিশ–‌প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে।
æ    আয়োজিত শিবিরের জন্য স্থায়ী কমিউনিটি বা হল ঘরের মতো বড় জায়গা হতে হবে। হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত বন্দোবস্ত থাকতে হবে। কোনও মতেই বেশি জমায়েত করা, সাংস্কৃতিক বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না।
æ    ভ্রাম্যমাণ গাড়ি বা বাসে শিবির হলে দাতার সংখ্যা ৪০ জনের বেশি নয়। ডোনারের নাম নথিভুক্ত করা, পর্যাপ্ত স্ক্রিনিং করার, বাসের বাইরে রক্তদাতার অপেক্ষা করার জায়গা পরিষ্কার–‌পরিচ্ছন্ন থাকা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা প্রভৃতি বিধিনিষেধ মেনে চলা।
æ    একবারে সর্বোচ্চ ৫–৬ থেকে জনের বেশি রক্ত দান করতে পারবেন না। একটি ব্যাচ শেষে পরের বার বাকি ৫–৬ জন রক্ত দিতে পারবেন।
æ    শিবিরের ভিতরে রক্তদাতার সঙ্গে কোনও অ্যাটেনডেন্টের প্রবেশ নিষেধ। পাঁচ জনের বেশি ভলান্টিয়ার রাখার অনুমতি নেই। শিবিরে তাঁরা সামাজিক দূরত্ব বজায় ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা দেখবেন। নজর রাখতে হবে সবাই হাত ধুচ্ছেন কিনা, মাস্ক পরে রয়েছেন কিনা, কারও কাশি আছে ইত্যাদি কিনা।
æ    প্রত্যেক ডোনারের স্ক্রিনিং মেডিক্যাল অফিসার করার সময় অবশ্যই জিজ্ঞাসা করতে হবে সম্প্রতি ফ্লু–এর মতো উপসর্গ যেমন জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট প্রভৃতি সমস্যায় ভোগা কারও বা সরাসরি কোভিড–১৯ আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন কিনা। এরকম কিছু খুঁজে পাওয়া গেলে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলতে হবে। সাময়িকভাবে তিনি রক্তদান করতে পারবেন না।
æ    ডোনারেরও যদি জ্বর, কাশি, সর্দি, শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা যায় তাহলে অন্তত ২৮ দিন তাঁকে রক্তদান স্থগিত রাখতে হবে।
æ    শেষ ২৮ দিনের মধ্যে  বিদেশে বা ভিন রাজ্য থেকে আসা বা কারও সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যক্তিও ২৮ দিন রক্তদান করতে পারবেন না।  
æ    কোনও দাতা স্বেচ্ছায় রক্ত না দিতে চাইলে সেটা গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।  
æ    ১০০ দিনের কাজে মজুরি ১৮২ টাকা থেকে বেড়ে ২০২ টাকা।
æ    শ্রমিকদের নিয়োগপত্র দিতেই হবে। বছরে অন্তত একবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা।
æ    ৪৪টি শ্রম আইন মিলিয়ে ৪টি শ্রম কোড।
æ    শহরে গরিব ও পরিযায়ী শ্রমিকদের নামমাত্র ভাড়ায় বাড়ি। সরকারের জমিতে বা উদ্যোগপতিদের জমিতে আবাসন তৈরি হবে। রাজ্য সরকার তাদের জমিতেও আবাসন গড়তে পারে।
æ    ৮ কোটি পরিযায়ী শ্রমিককে বিনামূল্য খাদ্যশস্য সরবরাহ।
æ    দেশে ৫০ লক্ষ ফেরিওয়ালার জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে বরাদ্দ ৫,০০০ কোটি।
æ    কম সুদের হারে আড়াই কোটি কৃষককে মোট ২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ। মৎস্য চাষ ও পশুপালনের জন্যও ঋণ মিলবে।‌
æ    চালু হবে ‘‌এক দেশ, এক রেশন কার্ড’।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top