আজকালের প্রতিবেদন: শহরের ২ লক্ষ ৬৯ হাজার মানুষকে অস্থায়ী ফুড কুপন দেবে কলকাতা পুরসভা। খাদ্য দপ্তরের সহযোগিতায় ১০ এপ্রিল থেকে এই ফুড কুপন দেবে পুরসভা। লকডাউন পরিস্থিতিতে সকলের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে মঙ্গলবার খাদ্য ভবনে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। বৈঠকে ছিলেন খাদ্য দপ্তরের প্রধান সচিব মনোজ আগরওয়াল, পুরকমিশনার খলিল আহমেদ, খাদ্য দপ্তরের পদস্থ আধিকারিক–সহ ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েসন, ডিলার অ্যাসোসিয়েসন, ফ্লাওয়ার মিল অ্যাসোসিয়েসন, রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। বৈঠকের পর মেয়র জানান, করোনা মোকাবিলায় রাজ্য জুড়ে লকডাউন চলছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে তার জন্য খাদ্য দপ্তরের সঙ্গে জরুরি বৈঠক। তিনি বলেন, ‘‌আরএসকেওয়াই–১–এ যাঁরা রেশন কার্ডের আবেদন করেছিলেন, তা মঞ্জুরও হয়ে গেছে। কিন্তু লকডাউনের জেরে ডাকবিভাগ সেই কার্ড পৌঁছে দিতে পারছে না। ফলে তাঁরা রেশন তুলতে পারছেন না। তাঁদের জন্য অস্থায়ী ফুড কুপন দেওয়া হবে। যাতে তাঁরা লকডাউন না ওঠা পর্যন্ত রেশন তুলতে পারেন। জেলাতেও খাদ্য দপ্তর এই ব্যবস্থা করেছে। কলকাতায় এরকম আবেদনকারীর তালিকা বেরিয়েছে। পুরসভা সেই তথ্য দেখে ফুড কুপন তৈরি করবে। নাম, ঠিকানা ইত্যাদি দিয়ে। সেই কুপন বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। সেই ফুড কুপন দেখিয়ে রেশন দোকান থেকে রেশন তোলা যাবে। এই বৈঠকে রেশন দোকানে ভিড় নিয়ন্ত্রণ নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মেয়র জানান, দূরত্ব বজায় রেখে রেশন দোকানে লাইনে দাঁড়াতে তো হবেই, ঘণ্টায় ২০–২৫ জনকে যদি রেশন দেওয়া যায় তাহলে কিছুটা ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। রেশন দোকানদারদের সে–বিষয়টাও দেখতে বলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

Back To Top