আজকালের প্রতিবেদন: একদিনেই ৭১৮ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। যা গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া বুলেটিনে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে মোট বাড়ি ফিরেছেন ১৯,৯৩১ জন। সুস্থতার হার ৬০.‌৬৯%‌। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৩৯০ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩২,৮৩৮। সক্রিয় করোনা–আক্রান্তের সংখ্যা ১১,৯২৭। নতুন করে আরও ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল মোট ৯৮০। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৪০টি।
কলকাতায় এদিন নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫২৪। উত্তর ২৪ পরগনায় ২৯৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১৪৩, হাওড়ায় ১১৯, হুগলিতে ৩১ জন–সহ একাধিক জেলা থেকে আক্রান্ত হয়েছেন। দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া ও কলকাতায় বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে–‌কোনও ভাবেই হোক, এই ৪ জেলায় সংক্রমণের হার কমাতে লড়াই করে চলে চলেছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।
সোমবার এক দিনে বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ জন। এ–পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮২। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩০৭ জন। মৃত ৩১। ৫৪৪ জনের চিকিৎসা চলছে।
পশ্চিম মেদিনীপুরে সালুয়ার ইআরএফ ক্যাম্পে ৪৫ জন জওয়ান করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রশিক্ষণ নিতে এসে করোনায় আক্রান্ত হলেন রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের ওই ৪৫ জন কর্মী। ব্যারাকপুর থেকে প্রশিক্ষণ নিতে ৪০০ জনকে পাঠানো হয়েছিল সালুয়ায় ইএফআর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে।
পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার জোড়াগেড়িয়া ফাঁড়ির এক পুলিশ আধিকারিক করোনা–‌আক্রান্ত হওয়ায় সিল করে দেওয়া হয় ওই পুলিশ ফঁাড়ি। আমতা থানায় ৩ পুলিশকর্মী করোনায় আক্রান্ত। আমতা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
কোয়ারেন্টিন সেন্টার থেকে বাড়ি পালিয়ে গিয়ে বাড়ি গিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে হাজির হন শ্যালক ও তঁার জামাইবাবু। দু’‌জনেরই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। নদিয়ার তেহট্ট–১ ব্লকের ফতাইপুর গ্রামের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
রিপোর্ট কার্ড হাতে নিয়ে করোনা–আক্রান্ত ব্যক্তি এদিন নিজেই আচমকা নন্দকুমার থানায় চলে যান। স্থানীয় খঞ্চি নির্ভয়পুরের বাসিন্দা মাঝবয়সি ওই ব্যক্তি থানার কালীমন্দিরের কাছে দঁাড়িয়ে পুলিশকর্মীদের বলেন, ‘‌আমি করোনা পজিটিভ। অ্যাম্বুল্যান্স মিলছে না।’‌ তঁাকে দূরত্ব মেনে সেখানেই থাকার পরামর্শ দেন ডিউটি অফিসার। নন্দকুমার থানার ওসি গোপাল পাঠক বলেন, ‘‌এর পরই ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করি। সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স এসে ব্যক্তিকে নিয়ে যায় চণ্ডীপুর হাসপাতালে।’‌ দুর্গাপুরে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় পুরসভায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top