আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দৃশ্যটা খানিক এরকম। বৃদ্ধা খুবই অসুস্থ। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন তাঁকে বাঁচিয়ে তুলতে। আপ্রাণ চেষ্টা। যেই জিনিসটা সবথেকে দরকার, তা হল ভেন্টিলেটর। হ্যাঁ, চিকিৎসকরা আলোচনা করে নিলেন৷ ভেন্টিলেটর ছাড়া তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে না। বৃদ্ধাকে জানানো হল। এই অবধি গল্পটা খুব সাধারণ। কেন বলা হচ্ছে এরকম একটা সাধারণ গল্প? না, এখান থেকেই গল্পটা বদলাবে। আর আপনি স্তম্ভিত হয়ে যাবেন। ভাববেন, এরকমও হয়? বৃদ্ধা হাসিমুখে বললেন, ‘‌আমার ভেন্টিলেটর দরকার নেই। নবীন প্রাণগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে আপনাদের। ভেন্টিলেটর কম পড়তে পারে।’‌ এবার ধরে নিচ্ছি, চিকিৎসকরা রাজি হননি। মানানোর চেষ্টা করেছেন তাঁদের রোগীকে। তখন ৯০ বছরের এই বৃদ্ধা বললেন, ‘‌বড় সুন্দর জীবন কাটিয়ে নিয়েছি আমি। এবার বাকিদের পালা।’‌ 

এবার করোনার বলি লন্ডনের এক কিশোর


হ্যাঁ এমনটাই হয়েছে বেলজিয়ামের ফ্লেমিশ ব্রাব্যান্ট প্রদেশের এক শহরে। বৃদ্ধার নাম সুজ্যান হয়লার্টস। বয়স ৯০। তাঁর মেয়ে বললেন, ‘‌মা যে খুব বিশেষ কিছু করেছেন, তা না। মা এরকমই ছিলেন।’‌ এই গল্পটা যখন সবাই জানছে, তখন আর তিনি বেঁচে নেই। কিন্তু তাঁর নামটা বেঁচে আছে। তাঁর কথাগুলো বেঁচে আছে। আর বেঁচে আছে এরকম একটা গল্প।

জনপ্রিয়

Back To Top