তারিক হাসান: প্রবাহ শুরু হয়েছিল সকাল থেকেই। অষ্টমীর বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হতেই রাজপথে জনস্রোত বাড়ল। বেলা যত গড়াল ততই ভিড়ে থই থই রাসবিহারী অ্যাভিনিউ, গড়িয়াহাট মোড়, পার্কসার্কাস, মহাত্মা গান্ধী রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, উল্টোডাঙা থেকে বিমানবন্দরগামী কাজি নজরুল ইসলাম সরণী। কলকাতার রাজপথ ধীরে ধীরে পরিণত হল উৎসব সরণীতে। সময় যত এগিয়েছে ততই প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে তিলোত্তমা কলকাতা। প্রতিটি মণ্ডপ আর সংলগ্ন রাস্তায় শুধু মানুষের ভিড়।

 

সেই উৎসব সরণীতে ভিড়ের স্রোতে একরকম ভাসতে ভাসতেই উৎসবমুখর মানুষ এগিয়ে চললেন। চলতে চলতে ক্লান্তি মেটাতে পথের পাশে চটজলদি খাবারের দোকান থেকে কিছু খেয়ে, হালকা গলা ভিজিয়ে নিতে নিতে একটু বিশ্রাম। তারপর জনস্রোতে পা মিলিয়ে প্রায় ভাসতে ভাসতে ফের এগিয়ে চলা। ভিড় ঠেলে এগোতে এগোতেই চলল ফেসবুক, হোআটসঅ্যাপে প্রতি মূহূর্তের আপডেট তুলে ধরা। বিকেলের দিকে এক পশলা বৃষ্টি একটু থমকে দিয়েছিল। তবে তা সাময়িক। বৃষ্টি থামতেই উৎকণ্ঠা সরিয়ে ফের এগিয়ে চলা। তারই সঙ্গে আড্ডা জমে উঠল ম্যাডক্স স্কোয়্যারে।

সময়ের সঙ্গে বাড়ল ভিড়। আর তা যেন জানাই ছিল। ভিড় ঠেলে এগোনো দায় সুরুচি সঙ্ঘ, ত্রিধারা সম্মিলনী, চেতলা অগ্রণী, একডালিয়া এভারগ্রিনে। পথেও মানুষ এতই বেশি যে গাড়ির গতি কমল। তাতে কি অনেক ঠাকুর দেখা বাকি। থিমই বা কত আছে। হাতে তো মাত্র কয়েকটা দিন। তাই চেটেপুটে উৎসবের স্বাদ উপভোগ করতে সকলে মেতে উঠেছেন।

শারদোৎসবে প্রতি মূহুর্তে প্রাণের ছোঁয়া। আবেগের হাত ধরাধরি করে এগিয়ে চলা। রাত পোহালেই মহানবমী। অষ্টমীর সন্ধ্যায় উৎসব মধ্য গগনে। জনস্রোত এগিয়ে চলল এক মন্ডপ থেকে আরেক মন্ডপে। পথে আরও বাড়ল গাড়ি। ঘন হল আবেগ আর আনন্দ–উচ্ছাস। জনস্রোত এগিয়ে চলল উত্তর থেকে দক্ষিণে।‌‌‌‌

একডালিয়া এভারগ্রিনে থিকথিকে ভিড়। ছবি তুলেছেন বিজয় সেনগুপ্ত

জনপ্রিয়

Back To Top