কোনও রাজ্যে ভাইরাস–‌আক্রান্ত কম মানেই সেখানকার সরকার সফল, কোনও রাজ্যে আক্রান্ত বেশি মানেই সেই সরকার ব্যর্থ, এরকম বলা উচিত নয়। কথাটা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি এক–‌এক রাজ্যে এক–‌এক রকম, ঘটনা। দেখতে হবে, রাজ্য কতটা সামলাতে পারছে, যথাসম্ভব নিখঁুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছে কিনা। এমন কিছু ঘটতে দেওয়া হয়েছে কিনা, যার ফলে নির্দিষ্ট জায়গায় সংক্রমণ বাড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভারতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু মহারাষ্ট্রে। কোনও বিশেষ গাফিলতি হয়েছে কিনা, ক্রমশ প্রকাশ্য। প্রথম দিকে বিদেশ থেকে বেশি লোক এসেছিলেন মুম্বই ও দিল্লিতে। ফল ভুগতে হয়েছে। সতর্কতার ব্যবস্থা ছিল কিনা, বুঝতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত, আক্রান্তের হিসেবে ওপরে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট, তামিলনাড়ু। প্রথম দিকে অসতর্ক ছিল তামিলনাড়ু, বাজারের দিকে তাকানো হয়নি, কয়েক হাজার লোক সংক্রমিত বাজার থেকেই। ‘‌মডেল’‌ গুজরাটের এমন অবস্থা হল কেন, কারণ খোঁজা হচ্ছে। যখন দেশে ভাইরাস ঢুকে গেছে, কঠিন পরিস্থিতির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে, তখন আমেদাবাদে ট্রাম্পের সংবর্ধনা সভায় জড়ো করা হল লক্ষাধিক লোককে। সংক্রমণ ছড়াল। আমেদাবাদ রাজ্যের সবচেয়ে বড় শহর, এবং সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। গুজরাট হাইকোর্ট কঠোর তিরস্কার করেছে সরকারকে, হাসপাতালের অব্যবস্থার জন্য। ১২০০ শয্যার আমেদাবাদ সিভিল হাসপাতালে পিপিই, এন ৯৫ মাস্ক, ভেন্টিলেটর খুব কম। কেন্দ্র কোনও চিঠি পাঠায়নি। আর বাংলায়?‌ দিস্তে দিস্তে চিঠি, কটাক্ষ, কেন্দ্রীয় দল পাঠিয়ে অপপ্রচার। তফাতটা দেখুন।   ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top