বিহারে বিরোধী মহাজোটের প্রচারে কিছু ফঁাক ছিল, এতদিনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রস্তুতিও ছিল না সিপিআই–‌এমএল লিবারেশন ছাড়া অন্যদের, বিশেষ করে আরজেডি–‌র। কংগ্রেসের কথা ছেড়ে দেওয়াই ভাল। না ছিল প্রস্তুতি, না সংগঠন, না নেতৃত্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় কতটা ভয়ঙ্কর বিজেপি, গোটা দেশে স্পষ্ট হয়ে গেছে। বাংলাতেও, নানা সময়ে মিথ্যা ও সাম্প্রদায়িক প্রচারে কী করেছে বিজেপি, কী করতে পারে, পরিষ্কার। তেজস্বী যাদবের সভায় প্রচারে তেজ ছিল, অগ্রাধিকার ছিল কিনা সংশয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় এতটা পিছিয়ে থাকা, তার সঙ্গে ইস্যু ধরায় সমস্যা। নীতীশ কুমারকে আক্রমণ করার কাজটা সর্বশক্তি দিয়ে করেছেন, কিন্তু বিজেপি তথা কেন্দ্রের সমালোচনা অপেক্ষাকৃত কম। অনেকটাই কম। একটি সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে, বিরোধীদের প্রধান ৭টি ইস্যু কী ছিল। বিস্ময়কর, তার মধ্যে নোটবন্দির জন্য দেশবাসীর বিপর্যয়ের ব্যাপারটা নেই। খোদ বিহারে বহু মানুষ রুজি হারিয়েছেন। নোটবন্দির কথাটা বলাই হবে না? প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, কালো টাকা আর থাকবে না।‌ নোটবন্দির দাওয়াইয়ে নাকি ‘‌কালো’‌ হবে আলো। কোটি কোটি টাকা ফিরবে সরকারের ঘরে। ফেরেনি। ৯৯ শতাংশ ‘‌কালো’‌ সাদা হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, জাল নোট আর থাকবে না। দেখা গেল, ২০০০–‌এর নোট জাল হয়েছে। উদ্দেশ্য সফল নয়। বলেছিলেন, জঙ্গিদের হাতে টাকা যাওয়ার পথ রুদ্ধ হবে। জঙ্গি কার্যকলাপ কমেনি। শুধু ব্যাঙ্কের লাইনে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। ইস্যুটা ধরাই হল না।‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top