গরফা থানা, পুলিশ ট্রেনিং স্কুল ও সল্টলেকে কলকাতা পুলিশের চতুর্থ সশস্ত্র ব্যাটেলিয়নে তিনটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটল। কাজ করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে আরও ভাল চিকিৎসার দাবি, উচ্চপদস্থদের উপেক্ষার বিহিত চেয়ে বিক্ষোভ। কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামলে দিলেন। পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে যান স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। আশ্বাস যেন, উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ব্যবহারের অভিযোগের তদন্ত হবে। তিনটি ক্ষেত্রেই দুটো ব্যাপারে মিল আছে। এক, দু–‌একটা বিষয়ে অবহেলা। দুই, ক্ষোভের অনুচিত বহিঃপ্রকাশ। যে সব অভিযোগ ছিল, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে মুখ্যমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন, ঠিকমতো খাবার পাচ্ছেন কিনা। কিছু বদলি হয়েছে। পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার নভেন্দ্র সিং ছুটিতে গেছেন। খবর, কিছু কর্মীর আক্রমণে তিনি আহত হয়েছেন। এই অফিসার আর্মিতে ছিলেন, হয়তো একটু কর্কশ, কিন্তু দক্ষ। মহামান্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় সাতদিনে সাড়ে আটটি টুইট করেন, প্রত্যেকটিই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, যে–‌সরকারের তিনি ‘‌সাংবিধানিক অভিভাবক’‌। সত্যি, ভয়ঙ্কর অভিভাবক। তিনি বললেন, পুলিশকর্মীদের ক্ষোভ কেন, তঁাদের অভিযোগ নিয়ে রাজ্য সরকার কী করছে, জানা দরকার। ব্যাপারটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মাননীয় রাজ্যপাল মহোদয় কী মনে করেন, পুলিশের মতো বাহিনীতে শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ নয়?‌ পুলিশ কর্মীরা অফিসারের দিকে ঢিল ছঁুড়বেন, ভাঙচুর করবেন, চূড়ান্ত অসহিষ্ণু হবেন, এই সব আচরণ সমর্থন করছেন। রাজ্যপালের কি বলা উচিত ছিল না, শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীতে এমন বিক্ষোভ অনুচিত?‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top