কংগ্রেস দেশে ক্ষমতায় থেকেছে ৫০ বছর। বিজেপি ১০ বছরের কাছাকাছি। কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় থাকলে দলের প্রতিপত্তি বাড়ে, আয়ও বাড়ে, ঘটনা। ৫০ বছর দেশ শাসন–‌করা কংগ্রেসের নামে দুর্নীতির অভিযোগ প্রচুর। দেখা যাচ্ছে, এত দীর্ঘকাল ক্ষমতায়–‌থাকা কংগ্রেসের সম্পদ কখনও বিজেপি–‌র মতো বাড়েনি। দল চালাতে অর্থ লাগে। সমর্থকরা কিছু দেন, ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিরাও দিতে পারেন। কিন্তু, কোনও দলের আয় এক বছরে খুব বেশি বেড়ে গেলে কারণ খোঁজার চেষ্টা করতেই হয়। অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্র‌্যাটিক রিফর্মস–‌এর রিপোর্টে প্রকাশ, দেশের সাতটি স্বীকৃত সর্বভারতীয় দলের মোট আয় ১৫৫৯ কোটি টাকা। তথ্যসূত্র:‌ নির্বাচন কমিশনের কাছে দেওয়া হিসেব। ২০১৫–‌২০১৬ সালে বিজেপি–‌র আয় ছিল ৫৭০.‌৮৬ কোটি টাকা। ২০১৬–‌২০১৭ আর্থিক বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩৪.‌২৭ কোটি টাকা। বেড়েছে ৮১.‌১৮ শতাংশ। মনে রাখা দরকার, বিজেপি আগেও ক্ষমতায় ছিল। বাজপেয়ী জমানায় কিন্তু দলের আয় এমন বাড়েনি। অমিত শাহ কি জাদুকর, যে, এক বছরে দলের আয় ৮১ শতাংশ বাড়িয়ে ফেললেন?‌ সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে প্রচার করা হয়েছিল, সেই ফানুস ফেটে গেছে। মোবাইল ফোনে মিসড্‌ কল দিলেই সদস্য!‌ দেখা গেল, অনেকেই অন্য দলের সমর্থক। যা–‌ই হোক, সাধারণ সদস্যরা নিশ্চয় হাজার কোটি টাকা চাঁদা দেননি। আমরা জানি, দেশের অনেক শিল্পপতি বিজেপি–‌র সমর্থক। কত দিয়েছেন?‌ কারা দিলেন?‌ তার বিনিময়ে কী পেলেন?‌ দিল্লিতে বিজেপি–‌র নতুন দপ্তর তৈরি করতে কত শত কোটি টাকা খরচ হল?‌ এই বিপুল আয়বৃদ্ধির সময়টাতেই এসেছে বিমুদ্রাকরণ। আগে থেকেই জানার সুবাদে অনেক কালো টাকা কি সাদা করে নেওয়া হয়েছে?‌ উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, ত্রিপুরায় বিপুল নির্বাচনী খরচের উৎস কী?‌

জনপ্রিয়

Back To Top