জনতা সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন শান্তি ভূষণ। দক্ষ এবং মানবিক আইনজীবী হিসেবে বিখ্যাত। তাঁরই ছেলে প্রশান্ত ভূষণ, এখন সংবাদের শিরোনামে। মানবধিকার আন্দোলনকারীদের পক্ষে নিয়মিত মামলা করেন। অরবিন্দ কেজরিওয়াল যখন গঠন করেন আম আদমি পার্টি, সঙ্গে ছিলেন প্রশান্ত ভূষণ। দলের মধ্যে গণতন্ত্র নেই বলে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি এবং যোগেন্দ্র যাদব। রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে না–‌থাকলেও, সরকারের অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব, সক্রিয়। একটা মামলা চালু আছে। আরেকটা মামলার রায় ঘোষিত হল। দুটি টুইট। একটিতে, প্রধান বিচারপতি বসে আছেন দামি হার্লে ডেভিডসন মোটরবাইকে। শরদ বোবদে বাইক পছন্দ করেন। বলেন, অবসরের পর বাইকে চড়ে ঘুরবেন। প্রশান্ত ভূষণের বক্তব্য, কেন মাস্ক নেই প্রধান বিচারপতির মুখে?‌ অন্য একটি টুইটে বলেন, সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়বিচার পাওয়া যাচ্ছে না। সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে যদি ন্যায়বিচার না মেলে, মানুষ কোথায় যাবেন?‌ সন্দেহ নেই, সওয়াল করার সময়েও বহুবার বিচারব্যবস্থাকে কটাক্ষ করেছেন প্রশান্ত। তঁার ধারণা, অসহায় এবং প্রতিবাদীরা বিচার পান না। সাম্প্রতিক মামলাটি চলছিল সদ্য–‌অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অরুণ মিশ্রর বেঞ্চ–‌এ। শুনানির পর, বিচারপতি মিশ্র বলেন, অন্যায় করেছেন, ক্ষমা চেয়ে নিলে শাস্তি দেওয়া হবে না। প্রশান্ত ভূষণ বলে দেন, ক্ষমা চাইবেন না। নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার। শাস্তি মাথা পেতে নেবেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বেণুগোপাল পর্যন্ত বলেন, শাস্তি নয়। বিচারপতি অরুণ মিশ্র রাজি হননি। হয় ১ টাকা জরিমানা দিতে হবে, নয়তো ৩ মাস কারাদণ্ড, ৩ বছর ওকালতি করতে পারবেন না। প্রশান্ত ভূষণ ১ টাকার কয়েন দেখিয়ে ছবি দিলেন, আমার প্রবীণ আইনজীবী রাজীব ধাওয়ান এটা দিয়েছেন। শ্রদ্ধা জানালাম। তঁার বক্তব্য, আদালতের সম্মান রক্ষা করার জন্যই তিনি উচিত সমালোচনা করেন। অসম্মান করেননি।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top