মাধ্যমিক পরীক্ষায় কেন জেলার ছাত্রছাত্রীরা এত ভাল ফল করে, কেন মেধা তালিকায় উজ্জ্বল থাকে ওদের নাম, গাত্রদাহ আছে অনেকের। এতদূর পর্যন্ত বলা হয়েছে, যে, সরকারের ইচ্ছায় এরকম ঘটে, জেলাবাসীর মন জয় করার চেষ্টা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে নিম্ন মধ্যবিত্তরাও, সাধ্যের বাইরে গিয়ে ইংরেজি মাধ্যম বোর্ডের স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করেন। উচ্চ, উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের বাড়িতে সহায়ক পরিবেশ, খরচের সামর্থ্য। অনেকেই চমৎকার ফল পায়। মেধা ও পরিশ্রমের জোরেই। কিন্তু, জেলায় যারা ভাল ফল করছে, মেধা–‌তালিকায় থাকছে, তাদের কৃতিত্ব ও নিষ্ঠাকে ছোট করে দেখলে, খারাপ লাগে। এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স–‌এ দেখা গেল, মেধা তালিকায় অনেকেই জেলার। প্রথম তিনের মধ্যে দুজনই। মেনে নেওয়া ভাল, জেলাতেও শিক্ষায় উন্নতি হচ্ছে। জয়েন্ট–‌এর ফল দেখে যেমন বোঝা যাচ্ছে, ‘‌এডুকেশন হাব’‌ হিসেবে উঠে এসেছে দুর্গাপুর। এমন কেন্দ্র আরও হবে, আশা করা যায়। হচ্ছেও। জয়েন্ট এন্ট্রান্স–‌এ ওপরের দিকে থাকা শিক্ষার্থীদের কথা শুনে ভাল লাগল। প্রথম স্থানাধিকারী, রায়গঞ্জের সৌরদীপ দাস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে না। পেশাগত সমৃদ্ধির কথা ভাবছে না। বলছে, গবেষণা করবে। বিজ্ঞানী হবে। আরও কয়েকজন একই কথা জানাল। অঙ্ক, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নে মন দেবে, গবেষণায় সফল হবে। মেধা নিয়ে প্রশ্ন নেই। সদিচ্ছাও স্পষ্ট। আমরা নিশ্চিত, বাংলার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বলতর করবে এই ছেলেমেয়েরা।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top