মোহনবাগানের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৩১ বছর আগে। ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ চলছে। দীর্ঘ যাত্রাপথ। অনেক সাফল্য। সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে এই দুই প্রাচীন ক্লাবের সমর্থক। কয়েক বছর আগে প্রায় একই নিঃশ্বাসে উচ্চারণ করা হত মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। বলা হত, কলকাতার তিন প্রধান। ফুটবলে বিপুল অর্থ এসে যাওয়ার পর মহামেডান কিছুটা আটকে গেছে। সুলতান আমেদের মৃত্যুতে সেই সমস্যা বেড়েছে। নতুন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস লড়ছেন। আশা করি অবিলম্বে প্রথম ডিভিশন আই লিগে ফিরতে পারবে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল নতুনভাবে চলবে। এবার থেকে। আইএসএল–‌কে দেশের প্রধান লিগ করার জন্য আই লিগকে দুর্বল করেছে এআইএফএফ। হয়তো ভিন্ন রাস্তাও ছিল না। মোহনবাগান মিশে গেল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার এটিকে–‌র সঙ্গে। বহু বছর প্রায় একার হাতে টেনেছেন টুটু বসু। আইএসএল–‌এ খেলতে, টিম করতে খরচ বছরে কমবেশি ৪০ কোটি টাকা। ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। ক্লাবের জার্সি ও লোগো অপরিবর্তিত থাকল। বেশি শেয়ার এটিকে–‌র। মালিক। ইস্টবেঙ্গলে এল শ্রী সিমেন্ট গোষ্ঠী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উদ্যোগী ছিলেন। স্পনসর নয়, কার্যত মালিকানা শ্রী সিমেন্ট–‌এর। ফুটবলের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক বাঙ্গুরদের। উল্লেখযোগ্য, গোষ্ঠীর পরামর্শদাতা শ্রেণিক শেঠ। একসময়ে দেশের অগ্রগণ্য চিত্র সাংবাদিক। তঁার বাবা লক্ষ্মীচঁাদ শেঠ ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ১ নম্বর সদস্য। সমর্থক ভিত্তি অটুট রেখে ক্লাব ভালভাবে চলবে আশা করি। দুই ক্লাবেই নতুন পথে যাত্রা শুরু। 
শুভ হোক।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top