ভয়ঙ্কর এনআরসি–‌সিএএ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে মোদি–‌শাহ সরকার, অন্য কাজের সময় নেই। ব্যস্ত। বৃদ্ধির হার নামতে নামতে ৪.‌৫ শতাংশে ঠেকেছে। কিছু করার সময় নেই। চাহিদা কমছে নিয়মিত, অনেক সংস্থায় কাজ হারাচ্ছেন কর্মীরা। ব্যস্ত অন্য কাজে, ভাবার সময় নেই অদ্ভুত সরকারের। কয়েক লক্ষ কাজ–‌হারানো দেশবাসীর জন্য বিশেষ ভাবনা নেই। বড় ব্যস্ত দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র নষ্ট করার, ধ্বংস করার কাজে। বেকারত্ব ৪৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, তরুণরা হতাশ, অসহায়, সরকারের কিছু করার কথা ভাবার সময় নেই। কৃষকদের দুর্গতি ক্রমবর্ধমান। গ্রামে ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে ঠেকেছে। প্রতিবিধানের ইচ্ছা নেই। ভীষণ ব্যস্ত যে। আর্থিক অবস্থা মেরামতের জন্য শুধু একটা কাজ বেছে নিয়েছে মোদি সরকার। সুদের হার কমানো। তাতে নাকি শিল্পপতিরা ঋণের সুবিধা পেয়ে বিস্তর লগ্নি করবেন এবং হাল ফিরবে। এক বছরে ৬ বার আমানতে সুদ কমিয়ে অভূতপূর্ব উদ্যোগ অর্থনীতির হাল ফেরানোর। না। শিল্পপতিরা ঋণ নিতে আগ্রহী নন। বলছেন, ভাবছেন, চাহিদা নেই, লগ্নি করে কী হবে। তাঁরা চান শুধু ছাড়। ১ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে বৃহৎ পুঁজিপতিদের। সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা নেই। হ্যাঁ, একটা চেষ্টা অবিরাম। কী করে প্রবীণ নাগরিকদের আক্রমণ করা যায়। সুদের হার কমিয়ে দিয়েও লগ্নি আসেনি।  তবু, সেই এক পথে, সুদ কমাও। ফলে, যাঁরা নির্ভরশীল স্থায়ী আমানতে সুদের ওপর, সেই প্রবীণদের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে চলেছে। ওষুধের দাম বাড়ছে, স্বাস্থ্যবিমার ব্যয় বাড়ছে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে বিপুল হারে, কী করে বাঁচবেন প্রবীণরা?‌ অদ্ভুত, ২ কোটির ওপর যাঁদের আমানত, তাঁদের সুদে হাত পড়ছে না। উল্টো হওয়া উচিত ছিল না?‌ মাসে অন্তত ২০–‌২৫ হাজার টাকা সুদ আসে, সেই পর্যন্ত অক্ষত রাখা উচিত ছিল না?‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top