অর্থমন্ত্রী পদে নতুন কাউকে আনতেই হত জেটলির বদলে, কারণ তিনি অসুস্থ, চিঠি দিয়ে জানিয়েও দিয়েছেন, আর মন্ত্রী হবেন না। নির্মলা সীতারামন কী করবেন, দেখা যাবে। সুষমা স্বরাজ থাকতে আগ্রহী ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে চাইলে হয়তো থাকতেন। তেমন কিছু হল না, এলেন জয়শঙ্কর, প্রাক্তন বিদেশ সচিব যদি অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেন। নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কী পারেন, জানি। গুজরাট গণহত্যার সময়ে মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। রাজনাথ সংযত মানুষ ও নেতা, অমিত শাহ কী— জানা আছে, আরও বুঝবেন দেশবাসী। নেই দুই পরিচিত মন্ত্রী, জে পি নাড্ডা ও রাজ্যবর্ধন রাঠোর। নাড্ডা সম্ভাব্য বিজেপি সভাপতি। কিন্তু রাজ্যবর্ধন? যোগ্যই ছিলেন। অলিম্পিকে রুপো এনে দিয়েছেন ভারতকে। ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে এমনিতেও গ্রহণযোগ্য। সীমিত ক্ষমতা সত্ত্বেও কিছু ভাল কাজ করেছেন। বাদ কেন?‌ বিজেপি সূত্রে জানা গেল, তাঁকে নাকি রাজস্থানের সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরার কথা ভাবা হচ্ছে। একটু বিস্ময়। রাজস্থানে বিধানসভা ভোট ৪ বছর পরে। কোনও পদে না রেখে ৪ বছর ধরে তৈরি করা? বোঝা গেল না। বাংলার বিজেপি কর্মীরা আশা করেছিলেন, অন্তত একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, মোট ৫ জন মন্ত্রী হবেন। এখনও কিছু পদ খালি আছে, গতবারের মন্ত্রিসভার আয়তনের কথা ভাবলে। হয়তো রাজ্য থেকে আরও দু–‌একজনকে পরে নেওয়া হবে। হয়তো কে কে হবেন, ঐকমত্যে পৌঁছনো যায়নি। শুধু বিজেপি কর্মী কেন, বাঙালি মাত্রই চান, কেন্দ্রে বাংলা থেকে বেশি মন্ত্রী থাকুক। জ্যোতি বসু প্রধানমন্ত্রী হলে, বাংলা থেকে অন্তত পাঁচজন মন্ত্রী হতেন। ক্ষোভ ছিল, আছে। ২০০৯ সালে তৃণমূল পেয়েছিল ১৯। মমতা রেলমন্ত্রী, সঙ্গে ৬ জন রাষ্ট্রমন্ত্রী। বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরিকে অপেক্ষাকৃত গুরুত্বহীন মন্ত্রকে রাষ্ট্রমন্ত্রী করা হল। বাঙালি পছন্দ করছেন সিদ্ধান্তটা?

জনপ্রিয়

Back To Top